আরও তিন বছরের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসা’র এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফজলুল্লাহ

Chattala24
  • 30
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    30
    Shares

দেশজুড়ে নানান সমালোচনা আর বিতর্কের পরেও চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি পদটি আরো তিন বছরের জন্য পুনঃনিয়োগ করিয়ে নিলেন দীর্ঘ নয় বছর ধরে এমডি পদে থাকা এ কে এম ফজলুল্লাহ।

নানান অভিযোগ রয়েছে প্রকৌশলী ফজলুল্লার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে মামলা আদালতেও গড়িয়েছে। কিন্তু এসবের পরেও উপর মহলকে ম্যানেজ করে স্বপদেই বহাল থাকছে এ কে এম ফজলুল্লাহ৷ চট্টগ্রাম ওয়াসায় কয়েক হাজার কোটি টাকার চলমান প্রকল্পে নিজের ক্ষমতা দীর্ঘ মেয়াদে পাকাপোক্ত করতে সুপরিকল্পিত ভাবে নিজের একান্ত অনুগত লোক দিয়ে গঠন করান ওয়াসা বোর্ড৷ আর নিজের অনুগত সেই বোর্ডকে দিয়ে তাকে পুনঃনিয়োগের সুপারিশ করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নানান সংবাদ শিরোনামে সমালোচনার মাঝেও ওয়াসা বোর্ডের সুপারিশ মেনে আজ ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে এক প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে পরবর্তী তিন বছরের জন্য ফজলুল্লাহকে নিয়োগের কথা বলা হয়। আগামী ১ নভেম্বর থেকে এ পুনঃনিয়োগ কার্যকর হবে বলে ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। ফজলুল্লাহর বর্তমান নিয়োগের মেয়াদ আগামী ৩০ অক্টোবর শেষ হচ্ছে।

ফজলুল্লাহ আজ (বৃহস্পতিবার) নিয়োগ পত্র পেয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন৷

১৯৬৮ সালে ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পান। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৮ সালে অবসর নেন।এরপর ২০০৯ সালের ৮ জুলাই তাকে এক বছরের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ড গঠন হলে তিনি প্রথম দফায় তিন মাসের জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পেলেও পরে পাঁচ দফায় পুনর্নিয়োগ পেয়ে গত ৯ বছর ধরে এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

৭৮ বছর বয়সী ফজলুল্লাহকে ফের নিয়োগ দিতে গত ৭ সেপ্টেম্বর ওয়াসার বোর্ড সভায় সুপারিশ করা হয়।

চট্টগ্রাম সদরের বাসিন্দা ওয়াসার গ্রাহক মো. হাসান আলী গত ১১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে অর্থপাচার, স্বজনপ্রীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, অব্যবস্থাপনাসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবর-প্রতিবেদন উদ্বৃত করে চট্টগ্রামে দুদকের বিভাগীয় পরিচালকের কাছে অভিযোগ করেন।

এরপর হাসান আলী ওয়াসার এমডি পদে ফজলুল্লাহর পুনঃনিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনও করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৩ সেপ্টেম্বর ফজলুল্লাহর অনিয়ম দুর্নীতি বিষয়ে দুদক কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা বা আদৌ পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা তা জানতে চেয়ে এক মাসের সময় দিয়ে মৌখিক আদেশ দেয়।

1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *