ইউএনও ওয়াহিদা খানম উপর হামলার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

Chattala24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তাঁর বাবা ওমর আলী শেখের উপর হামলার ঘটনায় নিজের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে রবিউল ইসলাম।
আজ রোববার (২০ শে সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির ওসি ইমাম জাফর। তিনি বলেন, আসামি নিজে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করার সম্মতি জানায়, পুলিশ সকাল দশটায় রবিউলকে আদালতে নিয়ে আসেন। পরে আবেদনসহ তাকে দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের কাছে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও ) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় পুলিশের দাবির মূল আসামি রবিউলকে দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে রোববার আদালতে উঠানো হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল জানায়, এ ঘটনার একমাত্র পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারী সে নিজেই। আক্রোশ থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে। তার দেওয়া তথ্যমতে হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি, লাঠি, মই, চাবি সহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। একসাথে তার পরনের প্যান্ট, হাতের ছাপ সহ মোবাইলের লোকেশন বিষয়গুলো আলামত হিসেবে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এসব আলামত বিচারকার্যে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্দেহভাজন ও প্রযুক্তির মাধ্যমে রবিউলকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের দোষ স্বীকার করে।
বিগত ১২ তারিখে এ বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছিলেন রবিউল দায় স্বীকার করে জানিয়েছে এ ঘটনায় প্রধান পরিকল্পনাকারী এবং একমাত্র হামলাকারী সে নিজে। পরে তাকে ওই দিনেই আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। আদালতের বিচারক তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন থেকেই রিমান্ডে নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পরে কত বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হয়। ওই দিনই তাকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ তিনদিনের রিমান্ড মন্জুর হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *