এমসি কলেজে গণধর্ষণ মামলায় আসামিপক্ষে দাঁড়াননি কোনো আইনজীবি

  |  Monday, September 28th, 2020 |  8:45 pm

আজ সোমবার ২৮ শে সেপ্টেম্বর সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট আদালতে এক ভিন্ন চিত্র দেখা গেলো। একটি মামলায় আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী নেই বরং রাষ্ট্রপক্ষে একাধিক আইনজীবী।

                             ‘ফোনকল ম্যাজিক’-এ ধরা ওরা ৪ জন আমরা নয়, ধর্ষণ করেছে রাজন আইনুল ও তারেক অন্যদিকে এমসি কলেজে তরণী ধর্ষণের ঘটনায় সেই মামলায় আটক আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়িয়ে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

জানা যায়, সিলেটের মুরারি চাঁদ (এমসি) কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনার মামলার প্রধান আসামি এম সাইফুর রহমান ও ৪নং আসামি অর্জুন লস্করকে আদালতে নেয়া হয়। এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে একাধিক আইনজীবী থাকলেও আসামি পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি। সকল আইনজীবীই ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।

সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট আদালতের সিনিয়র আইনজীবীরা জানান, সিলেট একটি আধ্যাত্মিক নগরী। এ নগরীতে কুলষিত করেছে ধর্ষকরা। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার কারণে সিলেটের কোন আইনজীবী ধর্ষকদের পাশে দাঁড়াননি।

এদিকে, ধর্ষকদের পক্ষে কোন আইনজীবী না দাঁড়ানোয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিলেট আইনজীবী সমিতিতে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অনেকেই।

জানা যায়, স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রলীগ কর্মী ও মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও ৪ নং আসামি অর্জুন লস্করকে হাজির করে ধর্ষণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানী শেষে বিচারক তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সিলেট মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী জানান, ধর্ষণ মামলায় সাইফুর ও অর্জুন লস্করের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের হোস্টেলে এক তরুণীকে গণধর্ষণ করেছে মহানগর ছাত্রলীগের ছয়কর্মী।