কোটি টাকা জরিমানা গুনলো এসিআই : স্যানিটাইজার সরানোর নির্দেশ

Chattala24
  • 212
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    212
    Shares

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসিআই কোম্পানীর  হ্যান্ড স্যানিটাইজার গুলো সরিয়ে নিয়ে ধ্বংস করে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষাক্ত রাসায়ানিক পদার্থ মিথানল দিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির অপরাধে এসিআই কোম্পানিকে এক কোটি টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ রোববার (১১ই অক্টোবর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুরে এসিআইয়ের ডিপোতে অভিযান পরিচালনা করে এসব জরিমানা ও নির্দেশনা দেয় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি এসিআইয়ের গাজীপুরের কারখানায় অভিযান চালিয়ে নকল হ্যান্ডস্যানিটাইজারের সন্ধান পাই আমরা। এসময় সেখানকার কারখানা সীলগালা করে দেয়া হয়। সেই সঙ্গে জরিমানা করা হয় ১৭ লাখ টাকা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, সে সময় তাদের এ ধরণের প্রতারণা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সে নির্দেশনা মানেনি। গোপন তথ্যে জানতে পারি তাদের তৈরিকৃত নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজারে রয়েছে। তাই আজ মিরপুর ডিপোতে থাকা হ্যান্ড স্যানিটাইজার গুলো পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ফের নকল ধরা পড়ে। তাই কোম্পানিটিকে এক কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাজারে সরবরাহকৃত হ্যান্ড স্যানিটাইজার গুলো প্রত্যাহার করে ধ্বংস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাসানিক পদার্থ ইথানলের সঙ্গে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, গ্লিসারিন ও ঠাণ্ডা ফোটানো পানি অথবা আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহলের (প্রোপানল) সাথে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও গ্লিসারিনসহ বিভিন্ন উপাদান নির্দিষ্ট পরিমাণে মিশিয়ে তৈরি করা হয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার। কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণের বাহিরে যদি কোনো একটি উপাদান কম বেশি মেশায় বা কোনো উপাদান বাদ দেওয়া হয়, তাহলে সেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার জীবাণুমুক্ত না করে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আর যদি কেউ ইথানলের পরিবর্তে মিথানল ব্যবহার করে তবে এর ব্যবহারে মাথা যন্ত্রণা, বমি, অন্ধত্ব, জ্ঞান হারানো থেকে কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারেন যেকোনো ব্যক্তি। তাই অবশ্যই আমাদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে বলে জানান তিনি।

 

1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *