গৃহবধূ নির্যাতনের মামলায় ৬ দিনের রিমান্ডে ০২ জন

Chattala24
  • 19
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    19
    Shares

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনার ৩৩ দিন পর (০৪ অক্টোবর) রোববার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী শুরু হয় প্রতিবাদ।

সোমবার (০৫ অক্টোবর) ০৯ জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং আইসিটি আইনে সোমবার ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নির্যাতিতা গৃহবধূ (৩৫) বাদী হয়ে ২টি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রধান আসামিসহ ৪ জনকে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ও র‌্যাব-১১।

বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বিচারক রিমান্ড শুনানি শেষে উভয় আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন মামলায় ৩ দিন এবং পর্ণোগ্রাফি আইনে ৩ দিন করে মোট ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সরকারি রেজিস্ট্রার অফিসার (জিআরও) সহকারী উপ-পরিদর্শক মোঃ সোহেল রানা বলেন, আসামি মো. রহিম ও রহমত উল্লাহকে ৩নং বেগমগঞ্জ আমলি আদালতে হাজির করা হলে, বিচারক মাশফিকুল হক আসামিদের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে উভয় আসামিকে ২টি মামলায় ৩ দিন করে মোট ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন জানান, আসামিদের পক্ষে কোনো উকিল অবস্থান নেবে না বরং বাদিকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
এই মামলায় নোয়াখালী ও ঢাকা থেকে মোট ০৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করেন, বিগত ২রা সেপ্টেম্বর দীর্ঘদিন পর বাবার বাড়িতে তার স্বামী তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। রাত ৯টার দিকে শয়ন কক্ষে স্বামী স্ত্রী একসঙ্গে ছিলেন। এ সময় বাদল, রহিম, আবুল কালাম, ইসরাফিল হোসেন, সাজু, সামছুদ্দিন সুমন, আবদুর রব, আরিফ ও রহমত উল্যাসহ অজ্ঞাত আসামিরা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে।

দুর্বৃত্তরা তার স্বামীকে মারধর করে পাশের কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। একপর্যায়ে তারা ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
এতে রাজি না হলে তারা তার ওপর নির্যাতন চালায় এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। এ সময় ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে আসামিরা কাউকে কিছু জানাতে হত্যার হুমকি দেয়। আসামিরা চলে যাওয়ার পর কাউকে কিছু না জানিয়ে নির্যাতিত ওই গৃহবধূ জেলা শহর মাইজদীতে বোনের বাড়িতে আশ্রয় নেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *