ধর্ষণটা বেড়েছে, এর প্রচারও হচ্ছে বেশী, ফলে প্রাদুর্ভাবটাও বাড়তে থাকে- প্রধানমন্ত্রী

Chattala24
  • 72
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    72
    Shares

সমাজে কোন অন্যায় যাতে প্রশ্রয় না পায়, মানুষ যেন ন্যায় বিচার পায়, সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইদানিং ধর্ষণটা খুব বেশি হচ্ছে এবং প্রচারও হচ্ছে। এটা যখন যতবেশি প্রচার হয়, এর প্রাদুর্ভাবটা কিন্তু ততবেশি বাড়তে থাকে।

ইতোমধ্যে আমরা আইন সংশোধন করেন একটি অধ্যাদেশ জারি করে দিয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা মানুষের মাঝে জনসেচতনতা সৃষ্টি করা দরকার।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বিপিএটিসির ৭০ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে ধর্ষণ বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে, সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী । এসময় দেশের ৮ টি প্রতিষ্ঠানের ৬৬৩ জন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইদানিং ধর্ষণটা খুব বেশি হচ্ছে এবং প্রচারও হচ্ছে। এটা যখন যতবেশি প্রচার হয়, এর প্রাদুর্ভাবটা কিন্তু ততবেশি বাড়তে থাকে।

ইতোমধ্যে আমরা আইন সংশোধন করেন একটি অধ্যাদেশ জারি করে দিয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা মানুষের মাঝে জনসেচতনতা সৃষ্টি করা দরকার।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজকে যারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আপনারাই থাকবেন আগামী দিনের কর্ণধার। আপনারাই দেশটাকে পরিচালনা করবেন। দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি বলব, ২০৪১ সাল পর্যন্ত তো আর বাঁচব না। কিন্তু ৪১’র যারা সৈনিক, আপনারাই হচ্ছেন এই নতুন প্রজন্ম। আপনারাই এদেশকে সেভাবে গড়ে তুলবেন। যেন বাংলাদেশ আর কোনোদিন পিছিয়ে না যায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘যেহেতু মানুষের পেটের খাবার লাগবে, তাই কর্মসংস্থানের জন্য আমরা একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। সেখানে শিল্পায়ন এবং কৃষির ওপর আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। সেদিকে লক্ষ্য রেখে অর্থনীতির চাকা যেন সচল থাকে তার ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। সেইসঙ্গে দেশটা যেন এগিয়ে যেতে পারে, সেটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই কোনো অন্যায় অবিচার যেন না হয়। মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায়। মানুষের জীবন যেন উন্নত হয়। মানুষের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি জানি, বিচার না পেলে কি কষ্ট। আমার বাবা-মা ভাই ভ্রাতৃবধূ তাদেরকে যখন হত্যা করা হয়, খুনিদের ইনডেমিনিটি দেওয়া হয়েছিল। আমার বিচার চাওয়ার কোনো অধিকার ছিল না। শুধু আমি কেন, ১৫ আগস্ট যারা শাহাদাৎ বরণ করেছিল তাদের কারও বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আবার বাবা-মা ভাই মারা গেছে আমি একটা মামলাও করতে পারিনি। আমার সেই অধিকারও ছিল না। এই সংস্কৃতি যেন বাংলাদেশে আর না থাকে। মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায়। শুধু আমি সরকারে আসতে পেরেছিলাম বলেই সেই খুনিদের বিচার করতে পেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রত্যেকেটা ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখবে। ভবিষ্যৎ এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমি সরকারে আসার পর দশ বছর মেয়াদী প্রেক্ষিত পরিকল্পনা দিয়েছিলাম। তারই ভিত্তিতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। ২০১০ থেকে ২০২০, এখন আবার ২০২১ থেকে ২০৪১ আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা। অর্থ্যাৎ ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের একটা কাঠামো তৈরি করে দিয়েছি। আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটা সংস্কার হবে। তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে গ্রাজুয়েশন পেয়েছি। এটাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশকে আমরা উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।’

1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *