দু’দিনের ভারী বৃষ্টিতে ফিরেছে নগরীর জলাবদ্ধতা

  |  রবিবার, জুন ২০, ২০২১ |  ১২:২৪ অপরাহ্ণ

শনিবার ২৪ ঘণ্টায় হয়েছে ১২৭ মিলিমিটার বৃষ্টি।শুক্রবারে বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে ৯৭ মিলিমিটার। দু’দিনের ভারী বৃষ্টিতে বায়েজিদ, শেরশাহ, খুলশী, টাংকির পাহাড়, ফরেস্ট হিল, মতিঝর্ণা পাহাড়সহ নগরে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবারও অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে আবহাওয়া পূর্বাভাসে। তারই পাল্লা দিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে মাইকিংয়ের পাশাপাশি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

শনিবার (১৯ জুন) আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ অব্যহত থাকতে পারে। ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রধান আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ সেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘শনিবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটা অতিভারী বৃষ্টি। আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও চট্টগ্রামে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

এদিকে ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের শঙ্কায় শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং পোড়া কলোনী পাহাড়, এ কে খান পাহাড় এবং খুলশি থানার ডেবার পাড় পাহাড় এলাকা, বায়েজিদ মিয়ার পাহাড়, টাংকির পাহাড়, পাঁচলাইশ থানার ফরেস্ট হিল, মতিঝর্ণা পাহাড়, বাটালী পাহাড় এলাকা, ফিরোজশাহ ও কৈবল্যধাম এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।

এতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করা প্রায় একশ পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকাগুলোতে খোলা হয়েছে ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। সেগুলোতে ইতোমধ্যে জরুরি খাবার সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানানো হযেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী ওমর ফারুখ বলেন, ‘পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কায় সেখানে মাইকিং করা হয়েছে। ওই এলাকাগুলোতে খোলা হয়েছে ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র।’

লালখানবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল হাসনাত বেলাল বলেন, মতিঝর্ণা পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে কাজ করছে সেচ্ছাসেবকরা। সেখানে ৫০-৬০টির মতো পরিবার আছে।