করোনার থাবায় মিরসরাই এর কিন্ডারগার্টেন গুলোর ক্ষতি ৬ কোটি টাকার ও বেশী

  |  Thursday, June 24th, 2021 |  5:43 pm

করোনাভাইরাস ১৫ মাসের মত লকডাউন অতিবাহিত হচ্ছে।স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসা টানা ১৫ মাস বন্ধে শিক্ষা ব্যবস্থার চরম অবনতি। ছাত্র ছাত্রী পড়াশোনায় বিঘ্নিত।
ছাত্র – শিক্ষকদের আকুতি কখন খুলবে প্রান- প্রিয় স্কুল? কখন শুরু হবে স্কুলের আঙ্গিনায় কোলাহল।

এর মধ্যে বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন এর মালিক ও শিক্ষকদের মাঝে উৎকণ্ঠা ও ভয়, প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয় কিনা? দীর্ঘ দিন বন্ধে প্রতিষ্ঠান গুলির আয়ের উৎস শূন্যের কোঠায়। প্রতিষ্ঠান গুলির পূজি নিঃশেষ এর পথে।

এদিকে শিক্ষকরা নিরুপায় হয়ে অন্য পেশায় ঝুকছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এর শিক্ষক রা বেতন পাচ্ছে না।অনেক কষ্টে জীবন যাপন করছেন।

মিরসরাই উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এর সূত্রে মিরসরাইতে ৬০ টি কিন্ডারগার্টেন আছে।প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এ ১৫ মাসে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক সানফ্লাওয়ার গ্রামার স্কুলের মালিক জয়নাল আবেদীন।এ হিসেবে ৬০ টি প্রতিষ্ঠানের ৬ কোটি টাকার ও বেশী ক্ষতি ধরা হয়েছে।
মিরসরাই এর সব চেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানের মালিক জেবি শিশু কাননের অধ্যক্ষ তুষার কান্তি বড়ুয়া বলেন করোনাকালীন ক্ষতি আমাদের অপূরণীয়। কিছু ছাত্রদের কাছ থেকে কিছু আদায় করার পরও আমাদের ক্ষতি ১৫ লক্ষ টাকার ও বেশী।

সংগঠনের সভাপতি মিরসরাই কিন্ডারগার্টেন এর মালিক মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান আমাদের এই ক্ষতি অপূরণীয়,।আমাদের সরকারি কোন সহযোগিতার আশ্বাস মেলেনি।তবে সরকারি সহযোগীতা না পেলে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এ দিকে ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকরা বলছেন অন্য কথা। করোনা কালীন স্কুল বন্ধ থাকলে ও কিছু কিছু স্কুল পুরো বৎসরের হিসেব করে টাকা নিয়ে নিলে ও কিছু টাকা বকেয়া রেখে মোকুফ করার আশ্বাস দিচ্ছেন। ছাত্রদের বাসায় প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নিচ্ছে এবং পরীক্ষা বাবদ ফি নিচ্ছে। পুরো টাকা আদায়ের ক্ষেত্রে বড় প্রতিষ্ঠান গুলি এগিয়ে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম রহমান চৌধুরীর কাছে জানতে চাহিলে উনি বলেন কিন্ডারগার্টেন নিয়ে আমাদের কাছে সরকারী কোন নির্দেষনা নেই। ২০১৭ সালে সরকার জেলা ভিত্তিক একটি টাস্কফোর্স গঠন করলে ও তেমন কার্যকারীতা নেই। সরকার কোন অনুদান ঘোষনা করলে আমরা সহযোগীতা করবো। এছাড়া আমাদের কাছে কোন নির্দেশনা নেই।