ভ্যাকসিন জটিলতায় অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ রেমিটেন্স যোদ্ধাদের

  |  শুক্রবার, জুলাই ২, ২০২১ |  ৬:২৬ অপরাহ্ণ

প্যানডামিক করোনায় বিপযর্স্ত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা রেমিটেন্স নির্ভর দেশগুলির মধ্য করোনার করুণ ঢেউয়ে রির্জাভ খুইয়েছেন অনেক দেশ এবং রির্জার্ভ নিন্মমুখিতার কারনে রির্জাভ নির্ভর অনেক দেশ ঋণ গ্রহন করেছে বিভিন্ন দেশ হতে ,শর্তসাপেক্ষে ঋণের জন্য প্রয়োজনীয় কুটনৈতিক দেন দরবার শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের অর্থব্যবস্থা সমতা ধরে রাখার জন্য এবং বিশাল অর্থনৈতিক ধসের মুখামুখি না হওয়ার জন্য ,পাশাপাশি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রেমিটেন্স যোদ্ধাদের গুরুত্ব দিয়ে রেমিটেন্স খাতে নজর দিচ্ছেন রেমিটেন্স নির্ভর দেশসমূহ যাতে রেমিটেন্স প্রবাহ সচল রেখে ঘাটতি মিটিয়ে রিজার্ভের মাত্রা উদ্ধমূখী রাখা যায় ।

এখন কথা হলো যেখানে বিশ্বজুডে করোনার ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে অর্থনৈতিক বিশ্বে নেতৃত্ব দানকারী অনেক দেশ ,সেখানে আমাদের দেশের রেমিটেন্স যোদ্ধারা দেশপ্রেম বুকে ধারন করে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স প্রেরণ করে রির্জাভের পাহাড় গড়ে দিয়েছেন দেশকে . রির্জাভের উপর দাডিয়ে দেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দূর – বহুদূর এগিয়ে গেছে এবং যাচ্ছে । দেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে হাঁটতে যাদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে তারা হলো রক্তকে ঘামে পরিনত করে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স প্রেরণকারী রেমিটেন্স যোদ্ধারা ।

দীর্ঘদিন করোনা তান্ডবের কারনে প্রবাসীরা দেশ মাতৃকা ও পরিবার পরিজনের নিরাপত্তার কথা ও করোনা প্রাদূভাবের ঝুঁকির কথা ভেবে দেশে সফর করেনি . করোনা তান্ডবের সামান্য শীতিলতা অনুভব করার কারণে ইত্যিমধ্য অনেক প্রবাসী দেশে গিয়েছেন মা , মাটির ভালবাসার টানে কিন্তু আবারো করোনার করুণ ঢেউ দৃশ্যমান হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সহ বিশ্বের প্রায় দেশ যেখানে বাংলাদেশের শ্রমবাজার চালু রয়েছে সেইসব দেশগুলি তাদের দেশের নিরাপত্তার জন্য ও জনস্বার্থে আন্তর্জাতিক রুটগুলো ধীরে ধীরে আবারো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এবং নিয়েছে এরমধ্য কিছু কিছু দেশ .সাথে পরামর্শ দিয়েছেন যারা দেশে ছুটিতে আছে তারা যেন নিজ দেশ হতে ভ্যাকসিন গ্রহণ করে কারণ ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট ব্যতীত প্রবেশের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং করতে যাচ্ছে প্যানডামিক
করোনারোধে.বাংলাদেশের শ্রমবাজার চালু দেশগুলি ভ্যাকসিন গ্রহন ব্যতীত প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা বা কঠোরতার নৈতিক ভিত্তি রয়েছে এবং জননিরাপত্তা ,জনস্বার্থ ও উভয়ের মঙ্গলের জন্য এই কঠোরতা বা নিষেধাজ্ঞাও সাধুবাদ যোগ্য ।

মূলকথা হলো করোনার কারণে দেশে আটকা পড়া রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ব্যাপারে রাষ্ট্রযন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ কি ? আদৌ ভাবছে কিনা ? তডিৎ কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে রেমিটেন্স খাতকে রক্ষা করার এবং রেমিটেন্স প্রবাহ সচল রাখার সদিচ্ছা বা মনমানসিকতা আছে কিনা ? জানতে খুব ,খুউব জানতে ইচ্ছে করে . প্রবাসী কল্যাণ ও
বৈদেশিক কর্মসংস্হান মন্ত্রণালয় ও স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয়ের ভ্যাকসিন বিষয়ে সমন্বয় হয়েছে কিনা ? জানতে চাওয়া এবং জনসম্মুখে প্রকাশ করা জরুরী ও বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি কারন ভ্যাকসিন ইস্যুতে দেশে আটকে থাকা প্রবাসীদের অন্ধকারে রাখা – দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়ার শামিল.রেমিটেন্স খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রবাসীদের ভ্যাকসিন প্রদানে পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের প্রতি সবিনয় দাবি জানাচ্ছি .স্হানীয় সকল সিভিল সার্জনে প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি করে নতুবা #ভ্যাকসিন_সেবা_কেন্দ্র চালু করে প্রয়োজনীয় জনবল দিয়ে দ্রুত ভ্যাকসিন প্রদান করার দাবি রাখছি নইলে প্রবাসীরা দেশে আটকে গেলে রেমিটেন্স প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে , রির্জাভে ধস নামবে এবং দেশের উন্নয়ন ,অগ্রগতি থমকে যাবে .মোট কথা প্রবাসীরা টিকে থাকলে , রেমিটেন্স প্রবাহ সচল থাকলে, দেশ ক্রমবর্ধমান এগিয়ে যাবার পথ মসৃণ থাকবে অন্যথায় দেশের অর্থব্যবস্হা হুমকির সম্মূখীন হবে .রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতি অনুরোধ রেমিটেন্স প্রবাহকে রক্ষা করে দেশকে বাঁচান কারণ প্রবাসীরা দেশকে মন হতে ভালবাসে .দেশের রিজার্ভ গডতে প্রবাসীরা প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে সুতরাং প্রবাসীদের ভ্যাকসিন ইস্যুকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আমলে নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি রাষ্ট্রযন্ত্র সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি.