জেলা প্রশাসনের অভিযান : ৪৭ মামলায় ১৫,২২০ টাকা জরিমানা

  |  সোমবার, জুলাই ৫, ২০২১ |  ৮:০১ অপরাহ্ণ

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের উর্ধগতি ঠেকাতে দেশব্যাপী লকডাউন কার্যকর করতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার (৫ জুলাই) জেলা প্রশাসনের দশজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন ।এ সময় ম্যাজিস্ট্রেটরা সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ না মানায় বিভিন্ন দোকান , রেস্টুরেন্ট এবং শপিং মলে অভিযান পরিচালনা করে অর্থদণ্ড প্রদান করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালনে সচেতন করা করেন।

অভিযানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা জান্নাত নগরীর ডবলমুরিং ও বন্দর এলাকায় ০৯ টা মামলায় মোট ২৬০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।পাহাড়তলি ও আকবরশাহ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। তিনি ২ টি মামলায় ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন । অন্যদিকে ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোনিয়া হক। এ সময় তিনি ৩ টি মামলায় ১৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাছান। এ সময় তিনি ২ টি মামলায় ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। বায়েজিদ ও খুলশী এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৭ টি মামলায় ১৯২০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ পাচলাইশ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ টি মামলায় ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। অন্যদিকে সদরঘাট ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমা। তিনি ৫ টি মামলা দায়ের করে ২৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চাদগাঁও এলাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন। এ সময় তিনি ২ টি মামলায় ১২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। পাশাপাশি খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১ টি মামলায় মোট ১০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস । এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ টি মামলায় ১৭০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চকবাজার ও বাকলিয়ায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত। তিনি ২ টি মামলায় ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।