গণপরিবহন বন্ধে ভোগান্তি ; শ্রমিকদেরও নেই নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা

 ফারজানা আকতার সানজিদা |  Tuesday, August 3rd, 2021 |  6:40 pm

কঠোর লকডাউনের বারো তম দিন আজ। সড়কে মানুষের চলাচল ও ব্যাক্তিগত গাড়ির চাপ বাড়লেও গণপরিবহন না থাকায় কর্মজীবী মানুষেরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।

গনপরিবহন
আজ মঙ্গলবার ( ৩ আগষ্ট) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজারের চিত্র এটি।

কঠোর লকডাউনের ৯ম দিনে সব ধরণের শিল্প-কল কারখানা খুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেয় সরকার। নিজস্ব পরিবহনে শ্রমিকদের যাতায়াতের নির্দেশনা থাকলে ও, হাতে গুণা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পরিবহনের ব্যবস্থা করে। অন্যদিকে, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিবহনের ব্যবস্থা না করায় যে যেভাবে পারছে, ছুটছেন তার গন্তব্যে।

শুধুমাত্র শিল্প- কারখানার শ্রমিকরা নন, লকডাউনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা – কর্মচারীদেরও।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মো জুবায়ের অফিসে যাওয়ার জন্য অনেক্ষন দাঁড়িয়ে ছিলেন লালখান বাজারে। বাড়তি বাড়ায় যেতে পারছিলেন না রিক্সায়। লকডাউনে অফিস খোলা থাকায় জীবিকার তাগিদে সড়কে কিছু না পেয়ে পায়ে হেঁটে রওনা দিলেন আগ্রাবাদের উদ্দেশ্যে।

জুবায়েরের মতো এ রকম অনেকেই আছেন অফিস কিংবা কাজের চাপে পথে নেমে পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

অফিসগামী যাত্রী হুমায়ন বলেন, যাদের ব্যক্তিগত গাড়ি আছে তারা চলাচল করছে, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আমাদের তো কোনো গাড়ি নেই। আমরা অফিস যাব কিভাবে?

গনপরিবহন

নগরীর টাইগারপাস এলাকায় গাড়ি দেখলেই যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এসময় কথা হয় গার্মেন্টস কর্মী শাহেলা আকতার এর সাথে, তিনি শ্রমিকদের পরিবহনের ব্যবস্থা না করায় ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, গাড়ি না দিলে আমরা কিভাবে কারখানায় যাবো। কোনো গাড়ি আসলেই, সবাই কার আগে কিভাবে উঠবে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দাঁড়িয়ে আছি আমি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এরপর, ১১ আগস্ট থেকে সড়কে পুনরায় গণপরিবহন চলবে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।