গ্রামে ৫জি নেটওয়ার্ক দিতে ব্যয় ২২০৪ কোটি টাকা

  |  Monday, August 9th, 2021 |  1:04 pm
নির্বাচনী ইশতেহার ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি গ্রামে আধুনিক প্রযুক্তিসেবা পৌঁছে দিতে ৫জি নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার। এ লক্ষ্যে দুই হাজার ২০৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকার প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড (টিবিএল)। আগামী মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। শেরেবাংলা নগরের মন্ত্রিসভা কমিটি পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হবেন। পরে সভা শেষে যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করবেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে শহরাঞ্চলে বিদ্যমান টেলিটকের ৪জি নেটওয়ার্ক ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রসারিত করে গ্রামের মানুষকে সুলভমূল্যে দ্রুতগতির ৪জি ইন্টারনেটসেবা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সরকার ঘোষিত লক্ষ্য অনুসারে, ২০২১-২৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি গ্রামে ৫জি প্রযুক্তি নির্ভর মোবাইলসেবা নিশ্চিত করা হবে। পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. মামুন-আল-রশীদ বাংলানিউজকে বলেন, প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। টেলিটক সরকারের প্রতিষ্ঠান। অন্যান্য বেসরকারি ও বিদেশি অপারেটর ব্যবসার উদ্দেশে সেবা দিয়ে থাকে। টেলিটক থাকায় বাকিদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। গ্রামে টেলিটকের ৫জি নেই। ২জি ও ৩জি আছে। বিদ্যমান অবকাঠামো কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি গ্রামে ৫জি দেওয়ার সরঞ্জামও কেনা হবে প্রকল্পের আওতায়। টেলিটক সূত্র জানায়, ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও ৫জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৩ সালের নভেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে টিবিএল। মূলত চারটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে হাতে নেওয়া হয়েছে প্রকল্পটি। এগুলো হলো- দেশের প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক প্রযুক্তি সেবার আওতায় আনা, প্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি তরুণকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর, প্রতিটি সেবাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা ও সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করা। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়ে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল নিশ্চিত করা হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। শহর-গ্রাম নির্বিশেষে দেশের সব মানুষ যেন আধুনিক প্রযুক্তি সেবার উপকারভোগী হয় তা নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সূত্র জানায়, দেশের প্রায় ১০ কোটি জনগণ ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ হার গ্রামে সবচেয়ে বেশি। শহরের তুলনায় গ্রামে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ক্রয়ক্ষমতা অনেকাংশে কম। ফলে ব্যক্তি মালিকানাধীন অন্যান্য মোবাইল অপারেটর প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ব্যবসায়িক ও মুনাফা বিবেচনায় নেটওয়ার্ক বিস্তারের মাধ্যমে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা দিতে চায় না। এ কারণে গ্রামের মানুষরা ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রস্তাবিত প্রকল্পটির মূল কার্যক্রম হচ্ছে- নয় হাজার ৪১০ সেট টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম কেনা, তিন হাজার বিটিএস সাইট নির্মাণ, ট্রান্সমিশন হাবের জন্য ১০০ সাইট প্রস্তুতকরণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি কেনা, কাস্টমার কেয়ার ও আসবাবপত্র কেনা। সূত্র আরও জানায়, বর্তমানে টেলিটকের ভয়েজ ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের কভারেজ অন্যান্য অপারেটরের তুলনায় সীমিত। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে কভারেজ খুবই কম। টেলিটকের মোট টাওয়ার বা সাইট সংখ্যা সাড়ে চার হাজার। এর মধ্যে ২জি বিটিএস যন্ত্রপাতি হলো সাড়ে চার হাজার, ৩জি বিটিএস তিন হাজার ৬২টি ও ৪জি বিটিএস এক হাজার ১০০টি, যা অন্যান্য প্রতিযোগীর তুলনায় অত্যন্ত কম।

নির্বাচনী ইশতেহার ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি গ্রামে আধুনিক প্রযুক্তিসেবা পৌঁছে দিতে ৫জি নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার।

এ লক্ষ্যে দুই হাজার ২০৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকার প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড (টিবিএল)।

আগামী মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

শেরেবাংলা নগরের মন্ত্রিসভা কমিটি পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হবেন। পরে সভা শেষে যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করবেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে শহরাঞ্চলে বিদ্যমান টেলিটকের ৪জি নেটওয়ার্ক ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রসারিত করে গ্রামের মানুষকে সুলভমূল্যে দ্রুতগতির ৪জি ইন্টারনেটসেবা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সরকার ঘোষিত লক্ষ্য অনুসারে, ২০২১-২৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি গ্রামে ৫জি প্রযুক্তি নির্ভর মোবাইলসেবা নিশ্চিত করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. মামুন-আল-রশীদ বলেন, প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। টেলিটক সরকারের প্রতিষ্ঠান। অন্যান্য বেসরকারি ও বিদেশি অপারেটর ব্যবসার উদ্দেশে সেবা দিয়ে থাকে। টেলিটক থাকায় বাকিদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। গ্রামে টেলিটকের ৫জি নেই। ২জি ও ৩জি আছে। বিদ্যমান অবকাঠামো কাজে লাগানো হবে। পাশাপাশি গ্রামে ৫জি দেওয়ার সরঞ্জামও কেনা হবে প্রকল্পের আওতায়।

টেলিটক সূত্র জানায়, ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও ৫জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৩ সালের নভেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে টিবিএল।

মূলত চারটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে হাতে নেওয়া হয়েছে প্রকল্পটি। এগুলো হলো- দেশের প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক প্রযুক্তি সেবার আওতায় আনা, প্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি তরুণকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর, প্রতিটি সেবাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা ও সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়ে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল নিশ্চিত করা হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। শহর-গ্রাম নির্বিশেষে দেশের সব মানুষ যেন আধুনিক প্রযুক্তি সেবার উপকারভোগী হয় তা নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সূত্র জানায়, দেশের প্রায় ১০ কোটি জনগণ ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ হার গ্রামে সবচেয়ে বেশি। শহরের তুলনায় গ্রামে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ক্রয়ক্ষমতা অনেকাংশে কম। ফলে ব্যক্তি মালিকানাধীন অন্যান্য মোবাইল অপারেটর প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ব্যবসায়িক ও মুনাফা বিবেচনায় নেটওয়ার্ক বিস্তারের মাধ্যমে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা দিতে চায় না। এ কারণে গ্রামের মানুষরা ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটির মূল কার্যক্রম হচ্ছে- নয় হাজার ৪১০ সেট টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম কেনা, তিন হাজার বিটিএস সাইট নির্মাণ, ট্রান্সমিশন হাবের জন্য ১০০ সাইট প্রস্তুতকরণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি কেনা, কাস্টমার কেয়ার ও আসবাবপত্র কেনা।

সূত্র আরও জানায়, বর্তমানে টেলিটকের ভয়েজ ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের কভারেজ অন্যান্য অপারেটরের তুলনায় সীমিত। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে কভারেজ খুবই কম। টেলিটকের মোট টাওয়ার বা সাইট সংখ্যা সাড়ে চার হাজার। এর মধ্যে ২জি বিটিএস যন্ত্রপাতি হলো সাড়ে চার হাজার, ৩জি বিটিএস তিন হাজার ৬২টি ও ৪জি বিটিএস এক হাজার ১০০টি, যা অন্যান্য প্রতিযোগীর তুলনায় অত্যন্ত কম।