চাঁদপুরে পৌর মেয়র হচ্ছেন অ্যাড. জিল্লুর রহমান

  |  শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২০ |  ৯:৫৪ অপরাহ্ণ

বিপুল ভোটে মেয়র হতে যাচ্ছেন চাঁদপুর পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আক্তার হোসেন মাঝি।

চাঁদপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল মেয়র পদে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
অ্যাড. জিল্লুর রহামন জুয়েল বর্তমানে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থী হিসেবে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

চাঁদপুর পৌর নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী ছিলেন তিনজন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান জুয়েল, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আক্তার হোসেন মাঝি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ মামুনুর রশিদ বেলাল।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন। চাঁদপুর জেলা প্রশাসনরে পক্ষ থকে ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ পৌর নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন আনসার সমন্বয়ে গঠিত স্টাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করছেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম সমন্বয়ক হিসেবে ছিলেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামাল হোসেন।

এর আগে শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মেয়র পদে অন্য প্রার্থী হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মামুনুর রশিদ বেলাল (হাতপাখা)। তাছাড়া কাউন্সিলর পদে ৫০জন এবং মহিলা কাউন্সিলর পদে আরো ১৪জনসহ মোট ৬৭জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

এদিকে শনিবার সকাল ১১টায় বিএনপি নির্বাচন বর্জন করে। দুপুর ২টায় তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন বয়কটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এছাড়া বিকেল সাড়ে ৩টায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মামুনুর রশিদ বেলাল।

ধানের শীষের প্রার্থী আকতার হোসেন মাঝি জানান, শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়। সরকার দলীয় কর্মীরা ভোট কেন্দ্র দখলে নিয়ে জোরপূর্বক ইভিএমের বাটন চেপে ভোট আদায় করেন। এছাড়া বেশ কয়টি ভোট কেন্দ্রে বিএনপি নেতা কর্মীদের মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। গুরুতর কয়েকজনকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।