২১ হাজার পিস ইয়াবাসহ ০৭ জন মাদকব্যবসায়ী আটক

  |  মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২০ |  ২:০৯ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও সীতাকুণ্ড এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযানে ২১ হাজার ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ ০৭জন মাদকব্যবসায়ী কে আটক করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ ও র‌্যাপিড একশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এছাড়া ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মিনিট্রাক ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।

আটককৃত ০৭ জন হল- কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানাধীন সৈয়দগাঁও এলাকার রফিক মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (২৬), কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন কুতুপালং এলাকার আব্দুর করিমের ছেলে আব্দুর রহিম (৫০), রামু থানাধীন খুনিয়া পালং এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুর রহমান (২১), রামু মিঠাছড়ি খন্দকারপাড়া এলাকার মো. হোসেনের ছেলে শামসুল আলম (২২) ও নুরুল হকের ছেলে বাবুল হোসেন (২৬) এবং টেকনাফ থানাধীন সাবরাং এলাকার ফজল আহমদের ছেলে মো. আলম (৪৩) ও উখিয়া রাজাপালং এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. আইয়ুব (১৯)।
এদের মধ্যে মো. মিজানুর রহমানকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ লোহাগাড়া থানাধীন চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে, আব্দুর রহিম ও আব্দুর রহমানকে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ চুনতি ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে, মো. শামসুল আলম ও বাবুল হোসেনকে ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ সীতাকুণ্ড থানাধীন ভাটিয়ারী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে এবং মো. আলম ও মো. আইয়ুবকে ১৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ চন্দনাইশ থানাধীন দোহাজারী বাজার থেকে আটক করা হয়।
আব্দুর রহিম ও আব্দুর রহমানের কাছ থেকে ইয়াবা পরিবহনে একটি মিনিট্রাক ও মো. আলম ও মো. আইয়ুবের কাছ থেকে একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ ও র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে তাদের আটকের বিষয়টি জানানো হয়।

চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক জানান, লোহাগাড়া ও সীতাকুণ্ড এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এসব ইয়াবা কক্সবাজার থেকে নিয়ে আসা হচ্ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ মাশকুর রহমান জানান, চন্দনাইশ থানাধীন দোহাজারী বাজারে অভিযান চালিয়ে ১৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ০২ জনকে আটক করা হয়েছে। মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসছিল তারা। আটককৃত ০২ জনকে চন্দনাইশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।