উচ্ছেদ হতে যাচ্ছে চমেক এর নাজিমের দোকান

50

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) নতুন ভবনের সামনে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে নাজিমের দোকান নামে পরিচিত একটি ক্যান্টিন। দীর্ঘ ছয় বছর ধরেই কলেজের নতুন ভবনের সামনে অবৈধভাবে দখলে নিয়ে ক্যান্টিন হিসেবে চালিয়ে আসছিল একটি চক্র। তবে এ বিষয়ে এতদিন পুরোপুরিই নিশ্চুপ ছিলেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। অবশেষে অবৈধভাবে গড়ে উঠা এ নাজিমের দোকান উচ্ছেদ হচ্ছে বলে জানা যায়। একই সাথে উচ্ছেদ করা হচ্ছে কলেজের পেছনে তথা শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনের পাশে অবস্থিত ক্যান্টিনের রান্না ঘরটি। ইতোমধ্যে ক্যান্টিন ও রান্নাঘরটি উচ্ছেদের নোটিশও দিয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। একই সাথে ক্যান্টিনের প্রবেশের একটি গেটে তালা দিয়ে বন্ধও করে দিয়েছে কলেজ প্রশাসন।

অভিযোগ রয়েছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করছেন। কলেজের কিছু শিক্ষার্থীরাই এ ক্যান্টিনটি স্থাপন করেছেন এবং সেখান থেকে মাসোহারার পাশাপাশি প্রতি মাসেই যা ভাড়া পাচ্ছিল, তা নিজেরাই ভোগ করেছেন। অথচ কলেজ কর্তৃপক্ষ এ ক্যান্টিন থেকে একটি পয়সাও এতদিন পায়নি।

সম্প্রতি অননুমোদিত এই ক্যান্টিনের বিষয়ে আপত্তি তোলা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অডিটেও। একই সাথে নতুন ভবনের কাজ সমাপ্ত হলেও গণপূর্ত বিভাগ থেকে বুঝিয়ে দেয়ার কথা থাকলেও টিনশেডের এ ক্যান্টিনের কারণে দৃষ্টিকটু হওয়ায় তা বুঝিয়ে দেয়াও যাচ্ছে না বলে জানা যায় কলেজ সূত্রে। যার বিষয়ে কলেজের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১১ অক্টোবর ক্যান্টিন পরিচালনাকারী মো. নাজিম উদ্দিনকে স্বেচ্ছায় উচ্ছেদের নোটিশও দিয়েছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৭ তারিখের মধ্যে তা উচ্ছেদ করতেও বলা হয় নোটিশে। পাশাপাশি ক্যান্টিনটির একটি অংশের প্রবেশ গেটে তালা দিয়ে যাতায়াতও বন্ধ করে দিয়েছে কলেজ প্রশাসন।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শামীম হাসান বলেন, ‘কলেজের বড় একটি ক্যান্টিন আছে। আরেকটি তো প্রয়োজন নেই। তাছাড়া এটি (নাজিমের দোকান) সম্পূর্ণ অবৈধ। এ দোকানের কারণে কলেজের সৌন্দর্য্যও নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে তাদের স্বেচ্ছায় উচ্ছেদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। সময়সীমা অনুযায়ী উচ্ছেদ না করলে পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।