ডিসেম্বরেই হতে পারে চসিক নির্বাচনঃ ইসি

492

বৈশ্বিক মহামারির কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্থগিত হয়ে থাকা নির্বাচন ডিসেম্বরের শেষের দিকে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তবে কমিশন আরোও বলছে,৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা থাকায়, ডিসেম্বরের শেষে না পারলে ভোটের তারিখ পিছিয়ে জানুয়ারিতেও হতে পারে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন চলতি বছরের ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এ নিয়ে আলোচনা করছে। নির্বাচনটি যথাসময়ে হবে। কিন্তু কোন তারিখে তা এখনোও নির্ধারণ করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষ দিকে সম্ভাবনা রয়েছে। তা না হলে জানুয়ারির প্রথম দিকে হবে। নির্দিষ্ট তারিখ তখনই বলতে পারব, যখন কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।’

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে বর্তমান প্রার্থীরাই বহাল থাকবেন এবং যেখানে ভোট স্থগিত হয়েছিল সে অবস্থা থেকে নির্বাচন হবে। তবে মৃত্যুজনিত যেসব পদ এর মধ্যে শূন্যতা হয়েছে, তাদের বিষয়ে কমিশন পরে সিদ্ধান্ত নেবে বলে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘কমিশনে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সিডিউল তো ঘোষণা করেছিল, স্থগিত রয়েছে। এখন স্থগিতাদেশটা প্রত্যাহার করে পরবর্তীতে ভোটের শুধু তারিখটা দেওয়া হবে। ওখানে আর কিছু নেই। ডিসেম্বরে ভোট হতে পারে।’

চট্টগ্রাম সিটির মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী (নৌকা), বিএনপির শাহাদাত হোসেন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন (মিনার), এনপিপির আবুল মনজুর (আম), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র খোকন চৌধুরী (হাতি)।