করোনার ভ্যাক্সিন নিলেন কমলা হ্যারিস

66

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

জো বাইডেনের পর এবার করোনার সংক্রমণ রোধে টিকা নিলেন নবনির্বাচিত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসির ইউনাইটেড মেডিকেল সেন্টারে করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন কমলা হ্যারিস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মর্ডানার টিকা গ্রহণ করেন। তাঁর টিকা নেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

টিকা নেওয়ার সময় কমলা হ্যারিস মাস্ক পরেছিলেন। তিনি ওয়াশিংটন ডিসির যে মেডিকেল সেন্টারে টিকা নেন, সে এলাকাটি আফ্রিকান-আমেরিকান অধ্যুষিত।

যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকান কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে করোনায় সংক্রমিত ও মৃত্যুর হার বেশি লক্ষ করা গেছে। করোনার টিকা নিতে সবচেয়ে অনাগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে এই কমিউনিটির সদস্যরা রয়েছেন বলে জরিপে উঠে এসেছে।

করোনার টিকার ওপর আস্থা রাখতে মার্কিন জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কমলা হ্যারিস। টিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি লোকজনকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তাদের সহায়তার বিশ্বস্ত উৎস (টিকা) রয়েছে।’

কমলা হ্যারিসের স্বামী ডগলাস এমহফও টিকা নিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২১ ডিসেম্বর করোনার টিকা নেন। এদিন তিনি ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার প্রথম ডোজ নেন। তাঁর টিকা নেওয়ার দৃশ্যও টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

৭৮ বছর বয়সী বাইডেন ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের একটি হাসপাতালে টিকা নেন। তাঁর স্ত্রী জিল বাইডেনও সেদিন টিকার প্রথম ডোজ নেন। টিকার নিরাপত্তার বিষয়ে মার্কিন জনগণকে বাইডেনও আশ্বস্ত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিসহ দেশটির বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ক্যামেরারা সামনে করোনার টিকা নিয়েছেন। মূলত, টিকার বিষয়ে সন্দেহ দূর করে জনগণের মধ্যে আস্থা বাড়াতে এমনটা করা হচ্ছে।

অবশ্য বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত করোনার টিকা নেননি। তিনি কবে করোনার টিকা নেবেন, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। গত অক্টোবরে করোনায় সংক্রমিত হয়ে তিন দিন হাসপাতালে কাটান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।