১৯ নং ওয়ার্ড আ.লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থীর কার্যালয়ে বিএনপি কাউন্সিলর সমর্থকদের হামলা

  |  রবিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২১ |  ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল আলম মিয়ার নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে মিয়াখান নগর হাজী মনসুর আলী রোড নুরুল আলম মিয়ার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রুহুল আমিন।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত নুরুল আলম মিয়া এমন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের নারী নেত্রীরা নৌকা ও মিষ্টি কুমড়া মার্কার গণসংযোগে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় ১৫ জন নারী ও ১৫ জন পুরুষ এসে আমাদের নারী নেত্রীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার সহধর্মীনিসহ আরো পাঁচজন নারী নেত্রী আহত হয়েছে। দুর্বৃত্তরা হামলার পূর্বে সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করেছে। বিদ্রোহী প্রার্থী আজিজুর রহমান আজিজ ও বিএনপির প্রার্থী ইয়াসিন চৌধুরী আছুর সহযোগিতায় মোরশেদ খানের গ্রুপের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হামলার পরপর আমাদের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করে দুজনকে ধরে ফেলেছে। আমরা মামলা করতে থানায় যাচ্ছি। আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করতে তারা বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। এলাকা ছেড়েও চলে যেতে বলছে। এ ব্যাপারে আমি মহানগরের আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দদেরকে জানিয়েছি।’

তিনি পূর্ববর্তী ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, আমি দলীয় সমর্থন পাওয়ার পরে আমার বিল্ডিংয়ের টাংকিতে শিশুর লাশ ফেলে জেলে পাঠাতে চেয়েছিল। এরপরে আবার আমার বাড়িতে মোর্শেদ খানের গুণ্ডাবাহিনী দিয়ে ভাঙচুর করেছে। সেদিন আমার বাসার নিচে তারা গোলাগুলিও করেছে। এ নিয়ে আমি বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছিলাম। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল নির্বাচন না করার জন্য।

হামলার ব্যাপারে জানতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইয়াসিন চৌধুরী আছুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিকেলে আমার নারী নেত্রীরা নির্বাচনী প্রচারণা করছিল। এসময় নুরুল আলম মিয়ার লোকজন আমাদের নারী নেত্রীদেরকে মারধর করে উলঙ্গ করে ফেলেছে। তাদের মোবাইলও কেড়ে নিয়ে নিয়েছে। এসময় আমাদের নারী নেত্রীরা কল করে পুলিশি সহায়তা চাই। কিন্তু পুলিশ এসে আমাদের দুজন লোককে আটক করে নিয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করছে বলেও জানতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি’র লোকজনের এত কি সাহস আছে যে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালাবে? এ ব্যাপারে আমরা আগামীকাল নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবো।

এ ব্যাপারে জানতে বিদ্রোহী প্রার্থী আজিজুর রহমান আজিজের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে, তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় সংযুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রুহুল আমিন সিভয়েসকে বলেন, আওয়ামীলীগ প্রা্র্থীর বাসায় হামলার খবর পেয়েছি। সেখানে একটি টিম পাঠানো হয়েছে।

হতাহতের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘এখন কোন হতাহতের খবর আমরা পাইনি।’