বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট না খেলে আইপিএল খেলবেন সাকিব

  |  শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১ |  ৪:০৯ অপরাহ্ণ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্ট সিরিজে খেলবেন না সাকিব আল হাসান। আইপিএলের ২০২১ মৌসুমে খেলার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) খবরটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন চেয়ারম্যান আকরাম খান। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এমনটাই জানিয়েছে ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ।

সাকিবের এই ছুটি মঞ্জুর হয়েছে বলেও জানায় বোর্ড। ফিটনেস প্রমাণের পর এপ্রিলে লঙ্কানদের বিপক্ষে টেস্টের আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ৩৩ বছর বয়সী অলরাউন্ডারকে দলে আশা করা হয়েছিল।

আকরাম খান ক্রিকবাজ’কে বলেন, ‘আইপিএলে অংশগ্রহণ করতে চেয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে না খেলার জন্য সে (সাকিব) সম্প্রতি আমাদেরকে এক চিঠি দিয়েছে। আমরা তাকে অনুমতি দিয়েছি। কেউ যদি খেলার জন্য (জাতীয় দলের জন্য টেস্ট) আগ্রহ না দেখায় তাহলে আমাদের কোনো পয়েন্ট নেই জোর করে খেলানোর।

এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আইপিএলে ফিরেছেন সাকিব। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে আবারও দেখা যাবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে। নিলামে ৩ কোটি ২০ লাখ ভারতীয় রুপিতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা) তাকে দলে নেয় কেকেআর। এর আগে ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত দলটিতে ছিলেন তিনি। কেকেআরকে ২০১২ ও ২০১৪ সালে শিরোপা জেতানোর পথে তিনি ছিলেন অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এই নিয়ে আসন্ন দু’টি আন্তর্জাতিক সিরিজে দেখা যাবে না সাকিবকে। এর আগে পিতৃত্বকালীন ছুটি নেওয়ায় নিউজিল্যান্ড সফরে থেকেও নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। কিউইদের বিপক্ষে ফেব্রুয়ারি-মার্চে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে টাইগাররা।

নিষেধাজ্ঞার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন সাকিব। তবে প্রথম টেস্টেই উরুর চোটে পড়েন তিনি। যার ফলে সিরিজ থেকেই ছিটকে যান এই তারকা অলরাউন্ডার। তবে এর আগে ফিরেই ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে বাংলাদেশকে ওয়ানডে সিরিজ জেতান সাকিব।

গত বছরই শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা ছিল টাইগারদের। কিন্তু কয়েকবার চেষ্টা সত্ত্বেও করোনা ভাইরাসের কারণে তা স্থগিত করা হয়। এখন স্থগিত হওয়া সেই সফরে এপ্রিলে যাওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করছে বিসিবি।

আর এবারই প্রথমবার নয়, সাকিব টেস্ট সিরিজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে কাজের চাপ এড়াতে লাল বলের ক্রিকেট থেকে ৬ মাসের জন্য বিরতি নিয়েছিলেন তিনি।