বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের বিশেষত্ব হচ্ছে তাঁর আপসহীন লড়াকু নেতৃত্ব এবং সুবিশাল হৃদয়ঃ সালাম

  |  বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১ |  ৬:২৫ অপরাহ্ণ

খোকা, শেখ মুজিব, গণমানুষের শেখ মুজিব থেকে বাঙালি জাতির জনক ‘বঙ্গবন্ধু’ হওয়ার ঐতিহাসিক দিন ৬৯ এর ২৩ ফেব্রুয়ারি। দিনটি স্মরণে ‘শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম-বৃহত্তর চট্টগ্রামের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরের দোস্ত বিল্ডিং কার্যালয়ে এই আয়োজন করা হয়।।

সংগঠনের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম।

অ্যাডভোকেট সাইফুন্নাহার খুশীর সঞ্চালনায় অতিথি আলোচক ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দীন, জাসদ চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টু, মহানগর সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী, নারীনেত্রী দিলোয়ারা ইউসুফ, ফোরকান উদ্দিন আহমেদ, চবি শিক্ষক ড. ওমর ফারুক রাসেল, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাদশা মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌরীশংকর চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইফতেখার রাসেল প্রমুখ।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রবন্ধ পাঠ করেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার।

প্রধান আলোচক এম এ সালাম বলেন, সুচিন্তিত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জনযুদ্ধের মাধ্যমে একটি জাতির স্বাধীনতা অর্জন ও দেশ সৃষ্টির অনবদ্য নজির স্থাপন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। ছোট দেশের হয়েও সমকালীন বিশ্বে আজ অদ্বিতীয় জাতীয়তাবাদী নেতার আসনে অধিষ্ঠিত তিনি। বিশ্বব্যাপী বঙ্গবন্ধু নামটি আজ সর্বজনীন ও সমাদৃত। তাঁর মতো সাহসী দূরদর্শী ত্যাগী নেতার আদর্শিক পথেই বাঙালি ও বাংলাদেশ আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

সভায় আলোচকরা বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক নেতাই উপাধি পেয়েছেন কিন্তু ফাঁসির মঞ্চ থেকে মুক্ত হয়ে জনসমুদ্রে গণমানুষের ভালোবাসায় কেউ সরাসরি উপাধিতে ভূষিত হননি।

বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের বিশেষত্ব হচ্ছে তাঁর আপসহীন লড়াকু নেতৃত্ব এবং সুবিশাল হৃদয়। তাই ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধির পর তা শেখ মুজিব নামের মূল অংশ হয়ে গেছে।

সভায় ঐতিহাসিক এই দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বঙ্গবন্ধু দিবস হিসেবে পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়।