তিন মাসে ভ্যাট নিয়ে ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগ আসেনি

  |  মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১ |  ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
তিন মাসে ভ্যাট নিয়ে ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগ আসেনি

অনলাইনে ভ্যাট, রিটার্ন দাখিল ও ইএফডিকে জনপ্রিয় করতে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের তৃতীয় ভ্যাট মেলা বুধ ও বৃহস্পতিবার (১০-১১ মার্চ) চট্টগ্রামের আটটি দফতরে অনুষ্ঠিত হবে।

দফতরগুলো হচ্ছে- আগ্রাবাদ, চট্টলা, চান্দগাঁও, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, পটিয়া, কক্সবাজার ও বান্দরবান।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দুপুরে আগ্রাবাদে ভ্যাট কমিশনারেটের সৈকত সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কমিশনার মোহাম্মদ আকবর হোসেন।

তিনি বলেন, গত দুই মেলায় ব্যবসায়ীরা বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছেন। ভ্যাট বুথের মাধ্যমে সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছি। আমি যোগদানের পর গত তিন মাসে দেখেছি ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগ একটিও পাইনি। এ মাসে আরও ৪০০ ইএফডি মেশিন স্থাপন করেছি। সাংবাদিকদের প্রচারণার কারণে চট্টগ্রামে এটি জনপ্রিয় হচ্ছে। চট্টগ্রামে ৫২০টি ইএফডি সচল আছে। প্রতিমাসের ৫ তারিখ ইএফডি চালানের ড্র অনুষ্ঠিত হয়, ১০১টি পুরস্কার থাকছে প্রতিবার।

ভ্যাট নিবন্ধন বাড়াতে মেলায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান কমিশনার মোহাম্মদ আকবর হোসেন।

তিনি বলেন, মেলার কারণে রিটার্ন দাখিল ৬৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এবার টার্গেট ৭৫ শতাংশ করা। পর্যায়ক্রমে আমাদের লক্ষ্য শতভাগে উন্নীত করা। আমরা করদাতার ভুল বোঝাবুঝি, জড়তা, দূরত্ব দূর করতে ভ্যাট মেলা ও বুথ স্থাপন করছি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেলার পাশাপাশি ১২-১৪ ফেব্রুয়ারি নগরের বড় বড় শপিং মল ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে ভ্যাট বুথ স্থাপনের মাধ্যমে সরাসরি সেবা প্রদান করা হবে।

গত ১১-১২ জানুয়ারি ১ম বারের মতো চট্টগ্রামে ভ্যাট মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় ২ হাজার ৩৭৪টি রিটার্ন জমা পড়ে, নতুন নিবন্ধন নেন ২৮৪টি প্রতিষ্ঠান এবং রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি টাকা।

পরবর্তীতে ১০-১১ ফেব্রুয়ারি ২য় বারের মতো আয়োজিত ভ্যাট মেলায় রিটার্ন জমা পড়ে ৩ হাজার ২৪৩টি, নতুন নিবন্ধনের আবেদন পড়ে ৩৪২টি এবং রাজস্ব আদায় হয় প্রায় ৩২ কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম কমিশনার মো. মুশফিকুর রহমান, মোহাম্মদ সেলিম শেখ, উপ কমিশনার কামনাশীষ, মো. শাহীনুর কবীর পাভেল, ফাতেমা খায়রুন নূর, মুহাম্মদ ছৈয়দুল আলম, মো. আহসান উল্লাহ, সুশান্ত পাল, মো. সাইদ আহমেদ রুবেল, সহকারী কমিশনার অনুরূপা দেব, এইচএম কবীর, মোছাম্মৎ আয়শা সিদ্দিকা ও এসএম সরাফত হোসেন।