চসিক নির্বাচনের ফল বাতিল চেয়ে মামলা, আরও ২ পিটিশন

  |  সোমবার, মার্চ ২২, ২০২১ |  ১২:৩৮ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন বাতিল চেয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা.শাহাদাত হোসেনের দায়ের করা মামলায় আরও ২টি পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ খাইরুল আমীনের আদালত এ পিটিশন গ্রহণ করেন।

শুনানি শেষে আদালত আদেশের অপেক্ষায় রেখেছেন বলে জানিয়েছেন ডা.শাহাদাতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আরশাদ হোসেন আসাদ।

এ সময় মামলায় বিবাদি চসিক মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান, নির্বাচন কমিশনারের সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আবুল মনজুর, এম এ মতিন, খোকন চৌধুরী, মুহাম্মাদ ওয়াহেদ মুরাদ, মো. জান্নাতুল ইসলামের পক্ষে আদালতে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

অ্যাডভোকেট আরশাদ হোসেন আসাদ জানান, চসিক নির্বাচনের ফল বাতিল চেয়ে দায়ের করা মামলায় আরও ২টি পিটিশন আদালতে জমা দিয়েছিলাম। একটিতে ইভিএম বিধিমালা ২০১৯ এর ২১ ধারা অনুসারে মেয়র পদের এসডি কার্ড, অডিটর কার্ড, রক্ষিত ফলাফল ও ভোটার তালিকা তলব করে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের কাস্টডিতে রাখার এবং অন্যটিতে ইভিএম বিধিমালা ২০১৯ এর ১৬ ও ১৭ ধারা অনুসারে মেয়র পদের ৭৩৩টি কেন্দ্রভিত্তিক ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিটি হতে প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত ফলাফলের মূল কপি ট্রাইব্যুনালে রাখার আবেদন করা হয়েছে। আদালত পিটিশন দু’টি গ্রহণ করেন, শুনানিও হয়েছে। বর্তমানে আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে আদালত থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের ডা.শাহাদাত হোসেন বলেন, ভোট কেন্দ্রগুলোতে বিএপির এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ৯ ঘণ্টা দেরি করে ভোট জালিয়াতির তালিকা তৈরি করে রাতের অন্ধকারে নির্বাচন কমিশন ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ভোট চুরিও শুদ্ধভাবে করতে পারেনি। তাতেও গরমিল। ৩১ জানুয়ারি গেজেট প্রকাশের পর দেখা গেল, নির্বাচনের দিন রাতে ফলাফল প্রকাশের তালিকা ও গেজেটের তালিকার মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ২টি তালিকাই একই রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত। এই জালিয়াতির কারণে আমি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছি।

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি চসিক নির্বাচনে কারচুপি ও ফল বাতিল চেয়ে মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন নির্বাচন কমিশনারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।