আয়বর্ধক প্রকল্প নেওয়া সময়ের দাবি: রেজাউল

  |  বুধবার, মার্চ ২৪, ২০২১ |  ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ
রেজাউল করিম

নগরের ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সুন্দর পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য নান্দনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রচুর অর্থ প্রয়োজন উল্লেখ করে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, বাস্তব সত্য হচ্ছে সেই সক্ষমতা আমাদের নেই। তারপরও উন্নয়ন থেমে থাকতে পারে না।

তাই সরকারের মুখাপেক্ষী না হয়ে আমাদের নিজস্ব আয়বর্ধক প্রকল্প নেওয়া আজ সময়ের দাবি।
মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকেলে বিবিরহাট কাঁচাবাজার, চকবাজার মাছবাজার, লালচান্দঁ রোড, স্টেশন রোডের বিআরটিসি এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের যে সম্পদগুলো আছে, সেগুলোর উপযুক্ত সদ্ব্যব্যবহার করতে পারলে আমাদের সক্ষমতা বাড়বে। যে মার্কেট ও বাজারগুলো আছে সেগুলোর ব্যবস্থাপনাগত বিন্যাসের মাধ্যমে আয়ের ভান্ডার সমৃদ্ধ করতে হবে।

নগরের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে এবং নালা-নর্দমা-খাল দখল করে যারা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সিটি করপোরেশনে বসবাসকারী প্রত্যেককে প্রচলিত আইন-কানুন ও বিধিমালা শতভাগ অনুসরণ ও পালন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে কাউকে তিল পরিমাণ ছাড় দেওয়ার অবকাশ নেই।

রেজাউল বলেন, অতীতে আমাদের বেশ কিছু আয়বর্ধক প্রকল্প ছিল এবং এ খাত থেকে সিটি করপোরেশনের আয় ও সম্পদের ভান্ডার মজবুত হতো কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা আমরা ধরে রাখতে পারিনি। আমার দায়িত্বপালনকালে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয়ের উৎসগুলোর পরিধি বাড়াবো এবং রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়াকে সহজতর করবো যাতে নগরবাসী কর প্রদানে উৎসাহিত হয়।

মেয়র পরিদর্শনকালে জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করে বলেন, করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারি নির্দেশনা শতভাগ মেনে চলতে হবে, জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।

তিনি বলেন, বিয়ে-শাদি ও সামাজিক অনুষ্ঠান সীমিত আয়োজনের মধ্যে করতে হবে। ঘরের বাইরে রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার ও পরিবহনে চলাচলে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। নিজের ও অপরের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে আমরা আত্মঘাতীর পথে নিপতিত হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দীন, বিপ্লব দাশ, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।