রিটার্ন টিকেটের দাবিতে কারওয়ান বাজারে সড়ক অবরোধ করে সৌদি প্রবাসীদের বিক্ষোভ

  |  মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০ |  ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ

আজ (মঙ্গলবার,২২ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে সোনারগাঁও হোটেলে অবস্থিত সৌদি এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ের সামনে জমা হতে থাকে সৌদি প্রবাসীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে টিকেট প্রত্যাশীদের ভীড়। রিটার্ণ টিকেট না পেয়ে একপর্যায়ে সকাল ৯ টার পর থেকে কারওয়ান বাজার-বাংলামটর সড়ক অবরোধ করে এসব প্রবাসীরা। এসময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে বেলা ১১টার পর পুলিশ তাদের মূল সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে তৎপর হতে দেখা গেছে৷

মূলত ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সৌদি আরবে ফিরতে চান প্রবাসীরা। তারা এ বিষয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এর আগে গতকাল সোমবারও একই দাবিতে রাজধানীর মতিঝিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিট বিক্রয় কেন্দ্রে বিক্ষোভ করেছেন সৌদি আরব থেকে ছুটিতে আসা প্রবাসীরা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের ঢাকা থেকে ফ্লাইট বাতিল করার প্রতিবাদে তারা এ বিক্ষোভ করেন। তবে গতকাল রাতে বিমান বলেছে, আগামী ১ অক্টোবর থেকে বিমানের সিডিউল ফ্লাইট যাবে সৌদি আরব।

জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সৌদি আরবে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশনের কাছে অনুমতি চায়। অন্যদিকে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বেবিচকের কাছে অনুমতির আবেদন করে। বেবিচক সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিলেও, সৌদি আরব বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেয়নি।

আকাশপথ নীতিমালা অনুসারে, বাংলাদেশ সৌদি আরব থেকে যে কয়টি ফ্লাইটের অনুমতি দেবে, সৌদি আরবকেও বাংলাদেশে থেকে একই পরিমাণ ফ্লাইটের অনুমতি দিতে হবে। কিন্তু সৌদি আরব সে নীতি মানেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বেবিচক গত রবিবার সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি বাতিল করে। এ অবস্থায় গতকাল সকাল থেকেই মতিঝিলে বিমানের অফিসের সামনে জড়ো হতে থাকেন প্রবাসীরা। সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসে ফ্লাইট বাতিলের জন্য বিমানকে দুষছেন তারা।

এদিকে আগামী পয়লা অক্টোবর থেকে সৌদি আরবের তিনটি শহরে আটটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন পেয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। গত রাতে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোকাব্বির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।