‘মহসিন ভিক্টর’ পিএইচপি ফ্যামিলির তৃতীয় প্রজন্মের শক্তি

  |  বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৮, ২০২১ |  ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ

পিএইচপি ফ্যামিলিতে যুক্ত হলো উদ্যোক্তার থার্ড জেনারেশন বা তৃতীয় প্রজন্মের শক্তি ও সম্ভাবনা। স্বনামধন্য এ শিল্পগ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সুফি মিজানুর রহমানের বড় ছেলে পিএইচপির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মহসিনের বড় ছেলে মহসিন ভিক্টর আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন।

বুধবার (৭ এপ্রিল) সকালে পিএইচপিতে মহসিন ভিক্টরকে ফুল দিয়ে বরণ করেন সুফি মিজানের ষষ্ঠ ছেলে পিএইচপির পরিচালক জহিরুল ইসলাম রিংকু।

পিএইচপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন এ প্রসঙ্গে বলেন, আপাতত সেক্রেটারিয়াল পদে ভিক্টর পিএইচপিতে যোগদান করেছেন।

পিএইচপিতে কর্মরত একজন সেক্রেটারি যে বেতন পায় সেও তা পাবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে পিএইচপির প্রতিটি বিভাগে কাজ করবে এবং কাজ শিখবে।

তিনি বলেন, তৃতীয় প্রজন্মের প্রত্যেক সদস্য পারিবারিকভাবে পিএইচপির পরিচালক হলেও দায়িত্ব গ্রহণের আগে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে।

‘সুফি মিজানুর রহমান অনেক কষ্ট করে পিএইচপি গড়ে তুলেছেন। আমরা ভাইয়েরা কেউ চাই না কোনো ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বাবার গড়া পিএইচপির ভিত ভেঙে পড়ুক। তাই এই সাবধানতা। ’ যোগ করেন মোহাম্মদ মহসিন।

সুফি মিজানের ৭ ছেলের ২৩ জন উত্তরসূরি রয়েছেন পিএইচপি ফ্যামেলির। ভবিষ্যতে তারাই হাল ধরবেন। যুক্ত হবেন পিএইচপি গ্রুপ পরিচালনার সঙ্গে। কিন্তু পড়ালেখা শেষে পিএইচপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে সবাইকে। এমন সিদ্ধান্ত সুফি মিজানের সাত ছেলের।

পড়াশোনা শেষ করার পর মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করতে হবে পিএইচপির তৃতীয় প্রজন্মকে। এরপর ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন, মার্কেটিং, ফাইন্যান্সসহ সাধারণ একজন কর্মচারীর কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে তাদের।

পিএইচপি সূত্রে জানা যায়, মহসিন ভিক্টরের জন্ম ১৯৯৮ সালের ৩ মার্চ। ২০১৪ সালে তার্কিস হোপ স্কুল থেকে ও লেভেল সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুল (সিজিএস) থেকে এ লেভেল সম্পন্ন করেন। পরে লন্ডনের ডেভিড গেম কলেজ থেকে ২০১৭ সালে ফাউন্ডেশন কোর্স শেষ করে ২০২০ সালে গোল্ড স্মিথস ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিংয়ে মাস্টার্স করেন। গত ১ এপ্রিল দেশে ফিরে বুধবার সেক্রেটারি পদে পিএইচপিতে যোগ দেন সুফি মিজানের বড় নাতি।

এ মহসিন ভিক্টর বলেন, দাদু (সুফি মিজান) আমাদের বলতেন, তোমরা কাদামাটিতে লুকানো হীরা। সেই হীরাকে ঘষে-মেজে সাফ ও তৈরি করতে হবে। নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করার জন্য পিএইচপিতে মাঠ পর্যায়ে যোগ দিয়েছি।

তিনি বলেন, তৃতীয় প্রজন্মের কোনো ভুলের কারণে পিএইচপির কোনো ক্ষতি হোক আমরা চাই না। আমরা চাই আমাদের হাত ধরেই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলবে পিএইচপিতে।