আজ রবিবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন বলে জানানো হয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে প্রাথমিকভাবে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এর মধ্যে কৃষক, মৎস্যচাষি/আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধখামারিসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণির সব কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রথম দফায় কৃষক কার্ড যেসব উপজেলায়
প্রাক-পাইলট পর্যায়ে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণাপুর ব্লক, টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা ব্লক, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক ও জামালপুর জেলার, ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লকে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।
কৃষক কার্ডে প্রদত্ত মূল ১০ সেবা
১. ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি;
২. ন্যায্য মূল্যে সেচ সুবিধা প্রাপ্তি;
৩. সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রাপ্তি;
৪. স্বল্প মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি;
৫. সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রাপ্তি;
৬. মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য প্রাপ্তি;
৭. কৃষিবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রাপ্তি;
৮. ফসলের রোগ-বালাই দমনের পরামর্শ প্রাপ্তি;
৯. কৃষি বীমা সুবিধা প্রাপ্তি;
১০. ন্যায্য মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুবিধা প্রাপ্তি।

