বোয়ালখালীর খতিব ও শিক্ষক এবং বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন আবু নাছের জিলানীকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বোয়ালখালী সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক এম. আবুল ফয়েজ মামুন।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এম. আবুল ফয়েজ মামুন বলেন, সমাজে আলেমের অবস্থান সবসময়ই শ্রদ্ধার, ন্যায়ের এবং নৈতিকতার প্রতীক। তারা জাতিকে পথ দেখান, মানুষের বিবেক জাগ্রত করেন, শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সাম্প্রতিক সময়ে আলেমদের ওপর অন্যায় আচরণ, হয়রানি ও নিপীড়নের যে ধারাবাহিকতা চলছে—তা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশাজনক। আলেমদের ওপর নির্যাতন শুধু ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়; এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তির বিরুদ্ধে এবং জুলাইয়ের সাথে এক গভীর গাদ্দারি।
বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন আবু নাছের জিলানীকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যেভাবে তাঁকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণই অগ্রহণযোগ্য, অমানবিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জনগণ মনে করে। তিনি একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও সমাজনন্দিত ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—যা আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।
মামুন বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে আলেমদের দমন করার প্রবণতা মুক্ত চিন্তা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় শান্তি-সংলাপকে বাধাগ্রস্ত করে। আমরা মনে করি, এই ধরনের নিপীড়ন দেশের স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতিকে হুমকির মুখে ফেলবে। আলেমদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা বা ভয় দেখিয়ে চুপ করানোর চেষ্টা কখনোই দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। বোয়ালখালী সচেতন নাগরিক সমাজ দাবি জানাচ্ছে—আবু নাছের জিলানীর নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে, তার ওপর আরোপিত হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং আলেমদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সরকারকে সুদৃঢ় ভূমিকা নিতে হবে।
চৌধুরী, চট্টলা২৪

