চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম (সিআরএফ) নেতৃবৃন্দ ডবলমুরিং থানার ওসি কর্তৃক দৈনিক যায়যায়দিনের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার শাহেদুল ইসলাম মাসুমকে হেনস্থা এবং চ্যানেল ২৪-এ প্রচারিত সংবাদের প্রেক্ষিতে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে সংকুচিত ও গণমাধ্যম কর্মীদের পরোক্ষ হুমকি প্রদানের অভিযোগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের প্রেস নোটের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সিআরএফ-এর সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন—
“ডবলমুরিং থানার ওসি কর্তৃক সাংবাদিক শাহেদুল ইসলাম মাসুমকে হেনস্থা এবং চ্যানেল ২৪-এর সংবাদের প্রেক্ষিতে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে সংকুচিত করার অপচেষ্টা ও সাংবাদিক সমাজকে পরোক্ষভাবে হুমকি প্রদান করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের প্রেস নোট স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায় এবং গণমাধ্যমের টুটি চেপে ধরার ঘৃণ্য প্রক্রিয়া বৈ কিছু নয়।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়—
“সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা অসঙ্গতি জনগণের সামনে তুলে ধরে সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন সাংবাদিকরা। অথচ সেই সাংবাদিক সমাজকেই হুমকি প্রদান করে প্রেস নোট জারি এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় রিপোর্টার শাহেদুল ইসলাম মাসুমকে ডবলমুরিং থানার ওসি কর্তৃক শারীরিকভাবে নিগৃহীত করা এবং বিনা কারণে ২০ মিনিট লকআপে আটকে রাখার ঘটনা ন্যাক্কারজনক ও বর্বরোচিত। সাংবাদিক সমাজকে যেই বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম।”
এ ঘটনায় অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপের পাশাপাশি মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও মাননীয় তথ্য উপদেষ্টার দ্রুত, দৃশ্যমান ও কার্যকর ভূমিকা কামনা করেছেন সিআরএফ নেতৃবৃন্দ।
তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন—
“যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম (সিআরএফ) নেতৃবৃন্দ রাজপথে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার পাশাপাশি পুলিশের সংবাদ বর্জনের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে।”
জুনায়েদ/চট্টলা২৪

