চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সাত পরিবারের মাঝে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিকের পক্ষে থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধায় বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবাখালী গ্রামের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত আল মাজু বাপের বাড়িতে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় বাঁশখালী উপজেলা যুবদল নেতা মো. জুনাইদুল করিম, অ্যাডভোকেট ইলিয়াস ছিদ্দিকী, সাবেক ছাত্রদল নেতা মাইমুনুর রশিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাবেক ছাত্রনেতা মাইমুনুর রশিদ বলেন, ‘ছনুয়া ইউনিয়নের আবাখালীতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সাথে সাথে সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা ও বাঁশখালী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আশিক ভাইয়ের নির্দেশে আমরা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ছুটে আসি। তরুণ এই নেতা পক্ষে থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেমন জেন-জি আশিক ভাইয়ের অভাবনীয় ভূমিকা ছিল, তেমনি বাঁশখালীর মানুষের সুখে-দুঃখে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। অল্প সময়ে বাঁশখালীর মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। বাঁশখালীবাসী এই তরুণ নেতার কাছে দিন দিন ঋণী হয়ে যাচ্ছে।’
মফিজুর রহমান আশিক বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ৭টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শুনে হৃদয়টা ছটফট করছিল। বাঁশখালী থেকে দুরে থাকায় নিজে উপস্থিত হতে না পারলেও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে বার বার খোঁজ খবর নিয়েছি। বাঁশখালীর প্রতিটি মানুষ যেন আমার পরিবারের অংশ। আমার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে ত আমি বসে থাকতে পারিনা। আমার কাছে সবার আগে আমার বাঁশখালীর মানুষ। তাদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকার চেষ্টা করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কিছু উপহার পাঠিয়েছি। একই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার তাদের এই ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে সেই দোয়া করি। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানরাও ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাড়াবে সেই প্রত্যাশা করি।’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবাখালী গ্রামে আল মাজু বাপের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মোবারক দৌল্লা, মুজিবুদৌল্লা, জুনাঈদ, জাকারিয়া, মোজাম্মেল হক ও মো. বখতেয়ারের বসতঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ২০ লক্ষাধিক টাকা বলে জানান ক্ষতিগ্রস্তরা।’
চৌধুরী, চট্টলা২৪

