প্রবাসীদের সুবিধা বাড়াতে এবং অবৈধ মোবাইল আমদানি রোধে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) রেজিস্ট্রেশন কার্ড থাকা প্রবাসীরা ট্যাক্স ছাড়াই সর্বোচ্চ তিনটি মোবাইল ফোন দেশে আনতে পারবেন। নিজের ব্যবহারের ফোন ছাড়াও অতিরিক্ত দুটি নতুন ফোন ফ্রি আনতে পারবেন। চতুর্থ ফোনের ক্ষেত্রে ট্যাক্স দিতে হবে।
যাদের বিএমইটি কার্ড নেই, তারা নিজের ব্যবহারের ফোনের পাশাপাশি একটি অতিরিক্ত ফোন ট্যাক্স ছাড়াই আনতে পারবেন। তবে চোরাচালান রোধে ফোন ক্রয়ের কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
সভায় আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়—
প্রবাসীরা দেশে আসলে ৬০ দিন পর্যন্ত ফোন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন।
বৈধ পথে স্মার্টফোন আমদানির শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হবে, ফলে বাজারে মোবাইলের দাম কমবে।
অভ্যন্তরীণ মোবাইল উৎপাদকদের বিনিয়োগ সুরক্ষায় স্থানীয় শুল্ক–ভ্যাটও পুনর্বিবেচনা করা হবে।
সাইবার অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণা রোধে নিজের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ক্লোন, চুরি/ছিনতাই করা এবং রিফারবিশড মোবাইল আমদানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে।
১৬ ডিসেম্বরের আগে অবৈধভাবে আমদানি করা কিন্তু বৈধ আইএমইআই–সংবলিত ফোনগুলো হ্রাসকৃত শুল্কে বৈধ করা যাবে। ক্লোন ও রিফারবিশড ফোন এ সুযোগ পাবে না।
বর্তমানে ব্যবহৃত কোনো ফোন ১৬ ডিসেম্বরের আগে বন্ধ হবে না বলে জানানো হয়েছে।
১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হবে, তাই বৈধ আইএমইআই–বিহীন হ্যান্ডসেট ক্রয় থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। অবৈধ, চোরাচালানকৃত ও ক্লোন ফোন দেশে বন্ধ করা হবে।
বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে এবং চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে। নতুন টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধনীর খসড়ায় সিমের ই–কেওয়াইসি ও আইএমইআই রেজিস্ট্রেশন ডেটা সুরক্ষায় কঠোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
ফারুক, চট্টলা২৪

