জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা প্রদানের বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায়। আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে ১০ দিনব্যাপী ক্যাম্পেইনে এইচপিভির প্রথম ডোজ টিকা পাবে নগরের ১০ থেকে ১৪ বছরের বয়সী এক লাখ ৩৬ হাজার কিশোরী।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সকালে টিকার ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে মেমন জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
তথ্য অনুসারে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকা ছাড়াও ১৫ উপজেলার তিন লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ জন কিশোরীকে এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। এতে ৪ হাজার ৩৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণির ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩০ জন ও স্কুল বহির্ভূত কমিউনিটির ৭ হাজার ৫১৮ জন কিশোরী এ টিকা পাবে।
এছাড়া, এ টিকার ক্যাম্পেইন চলবে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন চলাকালীন শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল, স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে কিশোরীরা এ টিকা নিতে পারবে।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম নগরেও আগামী ২৪ অক্টোবর হতে ১০ দিনব্যাপী জরায়ুমুখ ক্যান্সার টিকার প্রথম ডোজের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এর আওতায় নগরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রীদের এ টিকা দেয়া হবে। পরে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে ৮ দিন বিদ্যালয় বর্হিভূত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীরা টিকা পাবে। কোন কিশোরী যাতে টিকা গ্রহণে বাদ না পড়ে সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানার সভাপতিত্ব সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরীন ফেরদৌসী, শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার, ডা. সরোয়ার আলম, ডা. প্রসূন রায়, ডা. হোসনা আরা বেগম, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. তপন চক্রবর্তী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াহীদুল আলম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, ইউনিসেফ চট্টগ্রামের হেলথ অফিসার দেলোয়ার হেসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী, ডা. সূমন তালুকদার, ডা. আকলি মাহমুদ নাফে, ডা. জুয়েল মহাজন।

