জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন তাসনিম জারা। আইন অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশের স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হয়, যা সংখ্যায় প্রায় পাঁচ হাজার।
এই লক্ষ্যে রোববার সকাল থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেন তাসনিম জারা। প্রথম দিনেই প্রায় তিন হাজার ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফলে এখনো তার প্রয়োজন আরও প্রায় দেড় হাজার স্বাক্ষর।
রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তাসনিম জারা জানান, সকাল থেকেই স্বাক্ষর সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে এবং এ পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার স্বাক্ষর সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। প্রার্থী হতে মোট পাঁচ হাজার স্বাক্ষর প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাক্ষর সংগ্রহে স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তাসনিম জারা। তিনি জানান, মাহি, সাগরিকা ও রাফির মতো উদ্ভাবনী স্বেচ্ছাসেবকেরা ফর্ম নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ১০ থেকে ২০টি করে স্বাক্ষর সংগ্রহ করে জমা দিচ্ছেন।
এ কার্যক্রমে অংশ নিতে আগ্রহীদের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়ার সময় ফর্মের প্রথম পাতায় নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষর দিতে হবে। তবে ক্রমিক নম্বর ও ভোটার নম্বরের ঘর ফাঁকা রাখতে হবে। দ্বিতীয় পাতায় একই ব্যক্তির নাম পুনরায় লিখে ভোটার আইডি নম্বর উল্লেখ করতে হবে। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করলে ফর্ম বাতিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংগ্রহ করা ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য ঢাকা–৯ আসনের দুটি স্থানে বুথ স্থাপন করা হয়েছে। একটি বুথ খিলগাঁও তালতলা মার্কেটসংলগ্ন ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজের বিপরীতে এবং অন্যটি বাসাবো বালুর মাঠ এলাকায়।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ঢাকা–৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান তাসনিম জারা। এনসিপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী সমঝোতার প্রেক্ষাপটেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
ফারুক, চট্টলা২৪

