বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সব গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কারের সূচনা ও বাস্তবায়ন করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, দেশের মানুষের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে বেগম খালেদা জিয়া নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।
সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশ (আইসিসিবি) আয়োজিত শোকসভায় এসব কথা বলেন আমীর খসরু।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর গণতন্ত্র ও উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা বেগম খালেদা জিয়া ধরে রেখেছিলেন, সেই ধারাবাহিকতার দায়িত্ব তিনি তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়েই বিএনপির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।
আমীর খসরু বলেন, জিয়াউর রহমান ব্যক্তিখাত ও প্রাইভেট সেক্টরকে যে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া তা ধারণ করেছিলেন এবং সেই নীতির আলোকে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। মুক্তবাজার অর্থনীতি ও উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শুধু গণতন্ত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতিতেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে বহুমাত্রিক করেছেন এবং দেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন।
আমীর খসরু বলেন, মৃত্যুর ৮-৯ বছর আগেই বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। যখন কেউ সংস্কারের কথা চিন্তাই করেনি, তখন তিনি ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেন। পরে তারেক রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হয়, যেখানে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কীভাবে পুনর্গঠন করা যায়, তার দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, যে খাতগুলোতে প্রাইভেট সেক্টরের অংশগ্রহণ প্রয়োজন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেখানে প্রাইভেটাইজেশনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শুধু মুক্তবাজার অর্থনীতিই নয়, সরকারি ও বেসরকারি—সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর বেগম খালেদা জিয়া বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
ফারুক, চট্টলা২৪

