বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তঃজিলা বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের ৯ দাবি

যাত্রীবাহী পরিবহনের জন্য স্থায়ী টার্মিনাল নির্মাণসহ ৯ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে আন্তঃজিলা বাস মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন। দাবির মধ্যে রয়েছে, আন্তঃজিলা বাস টার্মিনাল নির্মাণ, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, যানজটমুক্ত সড়ক ও গণমুখী পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। পরিবহন সেক্টরে সংস্কার করতে হবে। সমিতির নেতাদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা রুখে দিতে হবে।

সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে আন্তঃজিলা বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আন্তঃজিলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন আহামদ।

নগরে বাস টার্মিনাল নির্মাণ জরুরি উল্লেখ করে কফিল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকে সারাদেশে সুনামের সাথে যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে। আমরা এখন প্রতিবেশী ভারতসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ৬৪ রুটে সার্ভিস দিচ্ছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বিভিন্ন জেলা উপজেলায় বাস টার্মিনাল নির্মিত হলেও আন্তঃজিলা রুটের জন্য কোনো টার্মিনাল নেই।’

আন্তঃজিলা গাড়িগুলো নগরের কদমতলী, অলংকার, এ কে খান, দামপাড়া, স্টেশনরোড, সিনেমা প্যালেসসহ প্রায় ২০ থেকে ২৫টি অস্থায়ী স্ট্যান্ড থেকে চলাচল করে। এতে অনেক সন্ত্রাসী, অপশক্তিকে মোকাবেলা করতে হয় জানিয়ে বাস মালিক সমিতির এই নেতা বলেন, ‘শ্রমিকদেরকেও নানা নির্যাতন, মামলা, হামলার শিকার হতে হয়। চরমভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় পরিবহন মালিকদের। টার্মিনাল নির্মাণের জন্য অতীতে বহু আন্দোলন করেছি। টার্মিনালের ব্যাপারে বহু সিদ্ধান্ত হয়েছে, বহু চুক্তি হয়েছে। কিন্তু টার্মিনাল নির্মিত হয়নি।’

মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে কফিল উদ্দিন আহামদ বলেন, ‘আমাদের সংগঠন অরাজনৈতিক। কোনো দলের ব্যানারে আমরা কোনো কর্মকাণ্ড করি না। স্বচ্ছতার মাধ্যমে সংগঠন পরিচালিত হয়। নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানির অপচেষ্টা হচ্ছে।।’

তিনি বলেন, ‘দেশে একটি রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার এখন দেশ শাসন করছে। এই মুহূর্তে একটি সুবিধাবাদী, স্বার্থান্বেষী চক্র কোনো আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে কেবলমাত্র দখলবাজির উদ্দেশ্যে নানা ধরনের অপতৎপরতা ও অস্বস্থিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হামলা-জবর দখলের চেষ্টা এবং মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক মামলায় যদি পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়; তাহলে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া ছাড়া আমাদের গত্যন্তর থাকবে না।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা মৃণাল চৌধুরী, মো. খোরশেদ আলম, আন্তঃজিলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইমাম শরীফ চৌধুরী, আজম চৌধুরী, মো. মুসা, গোলাম মোস্তফা, মনসুর আনোয়ার, ইব্রাহিম খলিল, নুরুল আলম, অলি আহামদ প্রমুখ।

চৌধুরী/চট্টলা২৪

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

শিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম...

চট্টগ্রামে বিয়ে শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, নারীসহ নিহত ২

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার...