চট্টগ্রাম যন্ত্রশিল্পী সংস্থার আয়োজনে ‘ভয়েস হান্ট সিজন-৩’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম ধাপের বাছাই শেষে ৪২ জন প্রতিযোগী ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়ে পরবর্তী পর্বে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
রোববার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। কালজয়ী বাংলা আধুনিক গান, লোকসংগীত ও আঞ্চলিক গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী চলে প্রতিযোগিতা। বিচারকদের মূল্যায়নে ৪২ জন প্রতিযোগী দ্বিতীয় পর্বে জায়গা করে নেন।
প্রথম পর্ব শেষে ‘ফেমিনা’ গ্রুপের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চক্রবর্তী উত্তীর্ণ প্রতিযোগীদের হাতে ‘ইয়েস কার্ড’ তুলে দেন।
চট্টগ্রাম যন্ত্রশিল্পী সংস্থার আহ্বায়ক এস. এম. শাজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সংকলন বড়ুয়া ও প্রতিযোগিতার সদস্যসচিব রুবেল বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিচারক লিটন মিত্র, সংগঠনের সভাপতি হিল্লোল রায়, সাবেক সভাপতি প্রবীর দত্ত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসীম চন্দ বাপ্পি এবং সংগঠনের সদস্য ঝুলন দত্ত।
প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পী জগলুল পাশা, লিটন মিত্র, মনোজ কুমার সরকার, মো. সাখাওয়াত, নিখিলেশ বড়ুয়া, ইন্তেখাব আলম মান্না, রাজীব নন্দী, অনুজিত বড়ুয়া লিমন ও মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। সংগীত পরিবেশনায় যন্ত্রসংগীতে সহযোগিতা করেন একদল সংগীতশিল্পী।
আয়োজকেরা জানান, প্রতিযোগিতার লক্ষ্য শুধু সেরা কণ্ঠ নির্বাচন নয়; নতুন প্রতিভাবান শিল্পীদের খুঁজে বের করে প্রশিক্ষণ ও গ্রুমিংয়ের মাধ্যমে দক্ষ শিল্পী হিসেবে গড়ে তোলা।
আহ্বায়ক এস. এম. শাজাহান, সদস্যসচিব রুবেল বড়ুয়া, সভাপতি হিল্লোল রায় ও সাধারণ সম্পাদক সংকলন বড়ুয়া বলেন, নতুন শিল্পীদের বিকাশে এ আয়োজন ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে। তাঁদের আশা, এই প্রতিযোগিতা থেকে ভবিষ্যতে দেশের সংগীতাঙ্গনের জন্য নতুন কণ্ঠশিল্পী উঠে আসবেন।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কয়েকজন প্রতিযোগী বলেন, এমন সুশৃঙ্খল ও পেশাদার আয়োজন তাঁদের প্রতিভা বিকাশে উৎসাহ জোগাবে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ শিল্পীদের কাছ থেকে শেখার সুযোগও তৈরি হয়েছে।
ফারুক, চট্টলা২৪

