এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়নের জন্য ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। বিপুলসংখ্যক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়নের আওতায় আসবে, তা নির্ধারণে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সোমবার (১৭ আগস্ট) গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র পুনরায় পরীক্ষা করা বাস্তবসম্মত নয়। ফলে পুনঃমূল্যায়নের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মানদণ্ড প্রয়োজন। নতুন নীতিমালায় কোন ধরনের খাতা পুনঃমূল্যায়ন করা হবে এবং কোনগুলো হবে না, তা নির্ধারণ করা হবে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এসব আবেদনের নিষ্পত্তির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়াও এগিয়ে নিতে হবে। বিপুলসংখ্যক উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়ন করতে গেলে ভর্তি কার্যক্রমেও বিলম্ব হতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যারা পুনঃমূল্যায়নের আবেদন করেছে, তাদের ক্ষেত্রে টেবুলেশন শিট ও নিরীক্ষার বিষয়গুলো যাচাই করা হবে। যেসব খাতায় গুরুতর অসঙ্গতি বা সমস্যা পাওয়া যাবে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
এর মাধ্যমে শুধু শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর যাচাই নয়, পরীক্ষকদের মূল্যায়ন পদ্ধতিও পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। কোনো পরীক্ষক যথাযথভাবে খাতা মূল্যায়ন করেছেন কি না, নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।
এদিকে, সোমবার দুপুরে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আখতারুজ্জামান জানান, পুনঃমূল্যায়নের আবেদন ১৩ লাখ ছাড়িয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ ছিল।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়নের আবেদন করায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হলো।
সাব্বির,চট্টলা২৪

