বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সীতাকুণ্ডে বিজয় দিবসের মঞ্চে অতিথি আওয়ামী নেতা, ছাত্র জনতার ক্ষোভ

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:  সীতাকুণ্ডে বিজয় দিবসের মঞ্চে অতিথি আওয়ামী নেতা, ছাত্র জনতার ক্ষোভ

সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসনের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে মঞ্চে অতিথির আসনে বসা ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক মহানগর পিপি এডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের এই নেতাকে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্র জনতা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

বিএনপি- জামায়াত নেতাকর্মীরা জানান, আওয়ামীলীগের আমলে বিএনপি-জামায়াত নেতা কর্মীদের জামিনে বিরোধিতাকারী, কট্টর আওয়ামী লীগ নেতা, নৌকায় সংসদ সদস্য প্রার্থীর মনোনয়ন চাওয়া ফখরুদ্দিন চৌধুরী কিভাবে মঞ্চে বসেন। তিনি কৌশলে আবারও স্বৈরাচার ছত্রভঙ্গ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলছেন। এর পূর্বে তিনি নিয়েছিলেন, ৭৫ পরবর্তী সময়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর। তাকে অতিথি করেছেন সীতাকুণ্ডের ইউএনও কে. এম রফিকুল ইসলাম। বিজয় মঞ্চে আওয়ামী দোসরদের দেখে উপস্থিত ছাত্র জনতা ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ কমল কদর বলেন, ১৬ বছর ধরে বিএনপির কোন মুক্তিযোদ্ধা এভাবে মঞ্চে দেয়নি স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ। এই আওয়ামীলীগের পদদারি নেতা কিভাবে দাওয়াত পাই এটাই আমাদের প্রশ্ন।

উপজেলা জামায়াতে ইমলামীর সেক্রেটারি মুহাম্মদ তাহের বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামীলীগ কি করেছে পুরো জাতি জানে সেটা। আওয়ামীলীগের আমলে কখনো জামায়াতকে কোন অনুষ্টানে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, তাহলে প্রশাসন এখন কিভাবে দাওয়াত পাই এটাই আমাদের প্রশ্ন? তিনি আওয়ামীলীগ নেতা হয়ে কিভাবে বিজয় দিবসের মঞ্চে বসেছেন আমরা দেখে হতবাক হয়েছি। এভাবে সরকারি অনুষ্টানে প্রথম সারির আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্চে বসা কোনোভবে গ্রহণীয় নয়! এটার আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ থেকে বুজা যায় প্রশাসনে এখনো বৈষম্য রয়ে গেছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোঃ আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরও এই স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামীলীগ নেতাদের কিভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতিথির আসনে বসতে দেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

সাবেক কমাণ্ডার (বিএনপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনছুর বলেন, এ জাতীয় অনুষ্টানে মুক্তিযোদ্ধাদের দাওয়াত দেওয়া হয়ে থাকে। তাকে আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে সেখানে যাননি। এ বিজয় দিবসের দিনে এ বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে না নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়টি জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে. এম রফিকুল ইসলামকে একাধিকবার মুঠোফোন কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ আর ইমন/মুসলেহ্/চট্টলা২৪

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

শিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম...

চট্টগ্রামে বিয়ে শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, নারীসহ নিহত ২

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার...