রাঙামাটিতে প্রতিপক্ষের গুলিতে নির্মল খীসা নামে এক ইউপিডিএফ কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টা দিকে জেলার সদর উপজেলার সাপছড়ি যৌথ খামার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্মল খীসা দলটির কালেক্টর ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহত নির্মল খীসা জেলার নানিয়ারচর উপজেলার সদর ইউনিয়নের তৈ চাকমা গ্রামের সুনীল বিহারী খীসার ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার সাপছড়ির ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড খামার পাড়া এলাকায় ২ থেকে ৩ রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে। এর পরপরই নির্মল খীসাকে হত্যার কথা জানা যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি কোতোয়ালী থানায় অফিসার ইনচার্জ মো. সাহেদ উদ্দিন। তিনি জানান, আমরা যতটুকু শুনেছি, রবিবার সকাল ৯টা দিকে নির্মল খীসা নামে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নির্মল খীসা আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ করতো। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে, ফিরলে বাকিটা জানা যাবে।
এদিকে নির্মল খীসাকে হত্যার জন্য জেএসএস সন্তু গ্রুপকে দায়ী করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউপিডিএফ। সংবাদ মাধ্যমে ইউপিডিএফের রাঙামাটি জেলা সংগঠক সচল চাকমা কর্তৃক প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রবিবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টায় রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের খামার পাড়ায় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা জেএসএস সন্তু গ্রুপের ৬-৭ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গুলি চালিয়ে ইউপিডিএফ সদস্য নির্মল খীসাকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর সন্ত্রাসীরা কাটাছড়ি স্বর্গপুর বনভাবনা কেন্দ্রের দিকে চলে যায়।
বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশে করে আরও বলা হয়, ইউপিডিএফ নেতা নির্মল খীসার হত্যাকারীদেরসহ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা সন্তু লারমাকে আঞ্চলিক পরিষদ থেকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার ও শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেএসএসের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।
ডেস্ক নিউজ/চট্টলা২৪ হৃদয়

