বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ছয় হাজার কনটেইনার হ্যান্ডেলিং

ঈদের দীর্ঘ ছুটিতেও সচল ছিল দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত চট্টগ্রাম বন্দর। আমদানি-রপ্তানির ৬ হাজার ৬৬৯টির বেশি কনটেইনার প্রতিদিন গড়ে পরিবহন করেছে সংস্থাটি। তবে প্রাইম মুভার ও লরি সার্ভিস কম থাকায় বন্দর ইয়ার্ডে দিনে গড়ে ১ হাজার ৩৫০টি কনটেইনার জমে যায়।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, ২৮ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ২০ ফুটের (টিইইউ) কনটেইনার হ্যান্ডেলিং হয়েছে ৬৬ হাজার ৬৯০টি এবং ডেলিভারি হয়েছে ১৫ হাজার ৩৮৫টি। এর মধ্যে ঈদের দিন (৩১ মার্চ) কনটেইনার হ্যান্ডেলিং হয়েছে ৩ হাজার ২৮৭টি এবং ডেলিভারি ৮০৯টি।

কনটেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের তথ্যে, ২৮ মার্চ ৪ হাজার ৯০৪টি, ২৯ মার্চ ৭ হাজার ৬৯টি, ৩০ মার্চ ৭ হাজার ৫৩৮, ১ এপ্রিল ৮৭১, ২ এপ্রিল ৮ হাজার ১৫৭, ৩ এপ্রিল ৭ হাজার ৮৫০, ৪ এপ্রিল ৯ হাজার ৬৯৮, ৫ এপ্রিল ৯ হাজার ১৯৪ ও ৬ এপ্রিল ৮ হাজার ১২২টি কনটেইনার হ্যান্ডেলিং হয়।

এছাড়া ২৮ মার্চ ৪ হাজার ১৮২টি, ২৯ মার্চ ২ হাজার ৯৭৬টি, ৩০ মার্চ ১ হাজার ৭৫৩, ২ এপ্রিল ৬৯১, ৩ এপ্রিল ৫৪৪, ৪ এপ্রিল ১ হাজার ১০০, ৫ এপ্রিল ১ হাজার ৩৯৭ এবং ৬ এপ্রিল ১ হাজার ৯৩৩টি কনটেইনার ডেলিভারি হয়।

তবে বন্দর সচল রাখতে পর্যাপ্ত জনবল ব্যবস্থাসহ ব্যাংক বুথ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ খোলা রাখা হলেও ব্যবসায়ীরা কন্টেইনার ডেলিভারিতে তেমন আগ্রহ দেখাননি। যে কারণে ২৮ মার্চের তুলনায় ৬ এপ্রিলে ১৩ হাজার ৫০০টি কনটেইনার জমে যায় বলে জানান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিবহন বিভাগের কর্মকর্তারা।

তারা বলেন, বন্দরের (চট্টগ্রাম) বিভিন্ন ইয়ার্ডে বর্তমানে ৫৩ হাজার ৫১৮টি কনটেইনারের জায়গা আছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহের বিষয়টি আগেই ধারণা করে বন্দর পর্যাপ্ত জায়গা খালি রেখেছে। ফলে এটি নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। তিন-চার দিনের মধ্যে ডেলিভারি বাড়িয়ে কনটেইনার জট কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘বন্দর সম্পূর্ণভাবে চালু ছিল। কেবল ঈদের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। আমদানিকারকরা ডেলিভারি না নেওয়ায় অতিরিক্ত কন্টেইনার জমে গেছে। এগুলো কয়েকদিনের মধ্যেই ডেলিভারি হয়ে যাবে। ফলে বন্দরের অপারেশন স্বাভাবিক বলা যায়।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. আরিফ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ঠিকঠাকভাবে চালু থাকলেও কাস্টমস ও আইসিডি পুরোপুরি চালু থাকে না। আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রম স্বাভাবিক ও চট্টগ্রাম বন্দরের সুফলের জন্য বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও চালু রাখতে হবে। এজন্য সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে একটু আন্তরিক হতে হবে।

ডেস্ক,hr

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

শিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম...

চট্টগ্রামে বিয়ে শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, নারীসহ নিহত ২

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার...