সিডিএ ৩৬টি খালের কাজ যেখানে করছে সেখানে আমরা (চসিক) কাজ করছি না। এর বাইরে নালা-নর্দমা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও একটি নতুন খাল (বহদ্দারহাট বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত) করছি আমরা। তবে রাস্তার পাশে খাল-নালা-নর্দমা যেখানে আছে সেসব স্থানে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়ার জন্য প্রকল্প নেওয়া হবে।
নগরে জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনটি মেগাপ্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে দুটি সিডিএ ও একটি চসিকের অধীনে। সিডিএর বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের মধ্যে কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু হয়ে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ২০১৭ সালের জুনে নেওয়া হয়। দুই হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্প আট বছরে শেষ হয়নি। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ৮২ শতাংশ। আগামী জুন থেকে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এ ছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল খনন, পুনর্খনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়নে সিডিএর আরো এক প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে আট হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। এই প্রকল্পও প্রায় আট বছর আগের। এটিরও মেয়াদ শেষ হবে আগামী জুনে। প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে ৭৮ শতাংশ।
অন্যদিকে চসিকের বাড়ইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত ২.৯ শতাংশ দৈর্ঘ্য ও ৬৫ ফুট প্রস্থবিশিষ্ট নতুন খাল খনন প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে এক হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। ২০১৪ সালের জুন মাসে নেওয়া এই প্রকল্পে এ পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৩ শতাংশ। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে ওই তিন মেগাপ্রকল্পে গড়ে ৮০ শতাংশ কাজ হয়েছে।
সূত্র :কালেরকণ্ঠ
ডেস্ক নিউজ/চট্টলা’২৪ হৃদয়

