ওইসব ছবিতে দেখা গেছে, উৎসবে আরাকান আর্মির ইউনিফর্মধারী ও অস্ত্রধারী সদস্যরা প্রকাশ্যে অংশ নেন এবং মঞ্চে অবস্থান করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি মারমা ও অন্য স্থানীয় পাহাড়ি সম্প্রদায় ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিতি ছিলেন।
সীমান্তের ১০ কিলোমিটার ভেতরে আরাকান আর্মির সদস্যরা অনুপ্রবেশ করে।
কিন্তু এখন আমাদের প্রয়োজন সম্পূর্ণ ঐক্য।
ডেস্ক নিউজ/চট্টলা’২৪ হৃদয়

