Monday, 9 November, 2026

রাঙ্গুনিয়া আট নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি

অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে রাঙ্গুনীয়া বিএনপির ৪ নেতা’সহ ৮ জনকে বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় বিএনপি । বৃহস্পতিবার ( ২৬ সেপ্টেম্বর ) কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন, রাঙ্গুনীয়া পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গাজী জসিম উদ্দিন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইছু সওদাগর ও পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী ফরহাদ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতি পরিপন্থী অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য চট্টগ্রাম উত্তর জেলাধীন রাঙ্গুনীয়া পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গাজী জসিম উদ্দিন, রাঙ্গুনীয়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইছু সওদাগর, রাঙ্গুনীয়া পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী ফরহাদ, বিএনপি সমর্থক মো. পারভেজ, সায়েদ, মো. ফয়েজ এবং মহিউদ্দিনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রাঙ্গুনীয়া বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগষ্ট এর পর থেকে বহিষ্কৃতরা দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থিসহ নানা অনৈতিক কাজে জড়িত ছিল। চলমান যৌথ অভিযানে বাধাদানের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় ।  ২৫ শে সেপ্টেম্বর বিকেলে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার আট নং ওয়ার্ড রওজারহাট রুবেল মার্কেটের একটি গলি ভেঙ্গে ফেলা হয়। পরে ঘটনাস্থলে আসা সেনাবাহিনীর সদস্যদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দশ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। এই মামলা এবং ৫ আগস্ট এর পর থেকে নানা অনিয়ম এবং অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দলীয় হাই কমান্ড বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ‘

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একই অপরাধের সাথে জড়িতদের মধ্যে আটজনকে ( মামলার আসামি)  দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও মামলার আরেক আসামী রাঙ্গুনিয়া  পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর সালামকে বহিষ্কার করা হয় নি।

একই মামলা আসামিদের মধ্যে দুইজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেবার বিষয়টি নজরে এলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয় দলটির নেতা কর্মীরা। বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে বিএনপির তৃণমূলের নেতা কর্মীদের মধ্যে।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাঙ্গুনীয়া উপজেলা বিএনপির এক নেতা বলেন,
” দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনগণের জান-মাল হেফাজত ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে সারা বাংলাদেশের মানুষ চলমান যৌথ বাহিনীর অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে । সেখানে বিএনপি নামধারী একশ্রেণীর লুটেরা ও দুর্বৃত্ত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও রাঙ্গুনীয়া বিএনপির অবিচ্ছেদ্য অংশ শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্মৃতি বিজড়িত রাঙ্গুনীয়াকে কলঙ্কিত করার মিশনে নেমেছিল । কেন্দ্রীয় হাই কমান্ড যথার্থ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে মামলার ১০ নম্বর আসামী রাঙ্গুনীয়া পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম’ কে বহিষ্কার করা প্রয়োজন ছিল , তার নেতৃত্বেই যৌথ বাহিনীর কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল।

সুত্রমতে, উত্তর জেলা বিএনপির এক নেতার সুপারিশে তাকে বহিষ্কার করা হয়নি। ওই নেতাও মীরসরাইয়ে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে তৃণমূল বিএনপির নেতা-কর্মী সমর্থক দ্বারা অবরুদ্ধ হবার পর সেনাবাহিনীর পাহারায় মুক্ত হয়েছিলেন  ।’

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়া ‘কারাত-২০২৬’ উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন

যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর জাহাজ USS WARRIOR আজ রবিবার (০১-১১-২০২৬) চট্টগ্রাম...

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

চট্টগ্রামে বিয়ে শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, নারীসহ নিহত ২

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার...