বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সীতাকুণ্ডে বিএনপি নেতার নাম জড়িয়ে ভুয়া সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছালামত উল্যাহর নাম ব্যবহার করে দৈনিক আমাদের দেশ পত্রিকার অনলাইনে একটি নিউজে তার বক্তব্য মনগড়া এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার প্রতিবাদ জানান তিনি।

আজ মঙ্গলবার (৩ জুন) সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে এসে লিখিতভাবে পাঠ করে এই সংবাদ সম্মেলন করে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে আপনাদের সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাজির হয়েছি। আপনাদের প্রেস ক্লাব দখলবাজীতে জড়িত থাকার কারণে প্রেস ক্লাব থেকে বহিষ্কৃত জহিরুল ইসলাম আমার কোন বক্তব্য না নিয়ে আমাদের জাতীয়তাবাদী দলের বিএনপির নেতাদের মধ্যে আমার সাথে দ্বন্দ্ব বাধানোর জন্য (জহির) মনগড়া ভাবে গত (১ জুন) দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার অন-লাইনে বহু অপকর্মের হোতা শ্রমিকলীগ নেতা শাহাব জেল হাজতে শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। ওই সংবাদে আমার নামে বক্তব্যটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

আমার বরাত দিয়ে জাতীয়তাবাদী দলের ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ডবাসীকে বিভ্রান্ত করার জন্য সংবাদ প্রচার করে। যা দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার অন-লাইনে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকগন হচ্ছে জাতির বিবেক কিন্তু জহির কত বড় মিথ্যাবাদী নিজেকে হলুদ সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় তুলে ধরা একজন ব্যক্তি। কারণ তিনি আমার কোন বক্তব্য না নিয়েই আমি বলেছি বলে আমার দেশ পত্রিকায় কোন নেতার নাম উল্লেখ না করে বিএনপি জেলা ও উপজেলা দুই নেতার নামে লিখে মিথ্যা নিউজ করে দিয়েছেন। যা কিনা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।

উল্লেখ্য যে, গত (১ জুন) দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার অনলাইনে এই বক্তব্যটি প্রচার করে। কিন্তু এই বক্তব্যের বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। সেই বক্তব্যটি হুবহু দেওয়া হলো। সেই সংবাদে তার বক্তব্য মনগড়া প্রচার করে। সেটি হলো- বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালামত উল্লাহ আমার দেশকে বলেন, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং শাহাবউদ্দিনসহ ৯ জন মেম্বার বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে অবৈধ পন্থায় শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির একজন ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির অপর একজন সিনিয়র নেতাকে কয়েক কোটি টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে তাদের ছত্রছায়ায় ৫ অগস্ট জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরও শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেম্বার শাহাবউদ্দিনসহ ৯ জন মেম্বার ও চেয়ারম্যান এলাকায় অবস্থান করে ইউনিয়ন পরিষদে অফিসও করেছেন। পরবর্তীতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতিরোধের মুখে আওয়ামী লীগের এ নেতারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। আওয়ামী লীগ নেতা ও চেয়ারম্যানের সাগর থেকে বালু তোলার কয়েকটি ড্রেজারসহ ব্যবসা-বাণিজ্য বর্তমানে ওই এলাকার বিএনপির দুই নেতা পরিচালনা করে আসছেন।

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

শিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম...

চট্টগ্রামে বিয়ে শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, নারীসহ নিহত ২

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার...