নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলসহ চার দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের চলমান অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগ ও মহানগর কমিটি।
আগামী ১৮ বা ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে এ কর্মবিরতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। জনস্বার্থ বিবেচনায় বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে ক্যাব নেতারা বলেন, রমজান সামনে রেখে ভোগ্যপণ্য আমদানিতে ইতোমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছিল এবং বাজার পরিস্থিতি সহনীয় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছিল।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ক্যাব নেতারা বলেন, বন্দরকেন্দ্রিক অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরি করছে, যা বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়াবে। নির্বাচনের আগে টানা ছুটি ও সাপ্তাহিক বন্ধের কারণে রমজানের আগের সময়েই কর্মদিবস কমে গেছে। এর মধ্যে বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত হলে আমদানি পণ্য খালাস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ছোলা, ডাল, তেল, চিনি ও খেজুরসহ রমজানে ব্যবহৃত নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে। প্রতিবছর একটি চক্র রমজানকে কেন্দ্র করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে উল্লেখ করে তারা বলেন, বন্দর বন্ধ থাকলে মজুতদাররা সেই সুযোগ নেবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের প্রাক্কালে এ ধরনের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নেই। শ্রমিক-কর্মচারীরা চাইলে নির্বাচিত সরকারের কাছে তাদের দাবি উপস্থাপন করতে পারেন। রমজানের আগে বাজার স্থিতিশীল রাখতে জনস্বার্থে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানায় ক্যাব।
ফারুক, চট্টলা২৪

