চট্টগ্রামে আসন্ন কোরবানির ঈদে গবাদিপশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি। এর বিপরীতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয়েছে ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি পশু। ফলে প্রায় ৩৫ হাজার ৫২০টি পশুর ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনা গরু দিয়ে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদিত পশুর মধ্যে রয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৯৯ হাজার গরু, ৪ লাখ ৭৮ হাজার মহিষ এবং প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ছাগল। ঘাটতি পূরণে নাটোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহসহ কয়েকটি জেলা এবং তিন পার্বত্য অঞ্চল থেকে গরু আনা হবে। অবৈধভাবে বিদেশি গরু প্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি জোরদারের কথাও জানানো হয়েছে।
এদিকে চট্টগ্রামে অনেক ক্রেতা এখন হাটের পরিবর্তে সরাসরি খামার থেকে কোরবানির পশু কেনার দিকে ঝুঁকছেন। শহর ও গ্রামে গড়ে ওঠা খামারগুলোতে শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান ও দেশি জাতের গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। খামার মালিকরা দাবি করছেন, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার ও স্টেরয়েডমুক্ত পদ্ধতিতে পশু বড় করা হচ্ছে।
চট্টগ্রামে বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি ছোট-বড় খামার রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে আরও শতাধিক মৌসুমি খামার গড়ে উঠেছে, যেখানে ক্রেতারা সরাসরি গিয়ে পশু বেছে নিচ্ছেন।
সাব্বির/চট্টলা ২৪

