কর্ণফুলী নদীর তীরে দেশের বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চট্টগ্রাম নতুন মাছ বাজারে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নৌকা থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়, মাছ ছিনিয়ে নেওয়া এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নগরীর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন বাংলাদেশ জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. সোলাইমান। তিনি জানান, ২০১৫ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে লিজ নিয়ে এই মাছ বাজার গড়ে তোলা হয়, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাছ সরবরাহ এবং বিদেশে রফতানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি এখানে বহু মানুষের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, বাজারে আসা নৌকা ও আড়তদারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায়, দখল করে স্থাপনা নির্মাণ এবং নিয়মিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে একটি চক্র বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। এতে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং অনেকেই নিরাপত্তাহীনতার কারণে অন্য বাজারে চলে যাচ্ছেন, ফলে ক্ষতির মুখে পড়ছে ব্যবসা।
সোলাইমান অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজি বন্ধে একাধিক অভিযোগ ও মামলা করা হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ও সংশ্লিষ্ট সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

