বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্বাস্থ্য খাতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বাজেট অনুযায়ী, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী হবেন।
এ ছাড়া নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে চার মাসব্যাপী ‘জেনারেল কেয়ারগিভার’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও চালু করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের অংশ হিসেবে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস শিল্পকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে মানসম্মত ওষুধের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১.০২ শতাংশের সমান। তুলনামূলকভাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা বা জিডিপির ০.৫৮ শতাংশ।

