বিশ্বকাপ ফুটবলে আত্মঘাতী গোল নতুন কিছু নয়। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে এর সংখ্যা এতটাই বেড়েছে যে, ভেঙে গেছে এক আসরে সর্বোচ্চ আত্মঘাতী গোলের আগের রেকর্ড।
শেষ ৩২ দলের পর্বে ডালাসে অনুষ্ঠিত মিসর–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করেন মিসরের রাইটব্যাক মোহামেদ হানি। তার সেই গোলটি ছিল চলতি আসরের ১৩তম আত্মঘাতী গোল, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ আত্মঘাতী গোলের নতুন রেকর্ড গড়ে।
তবে রেকর্ডটি সেখানেই থেমে থাকেনি। বাংলাদেশ সময় ভোরে মায়ামিতে আর্জেন্টিনা–কেপ ভার্দে ম্যাচেও আরেকটি আত্মঘাতী গোলের দেখা মেলে। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ১১১ মিনিটে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার দিনেই বোর্হেস নিজের জালেই বল জড়িয়ে দেন। ফলে আত্মঘাতী গোলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪-তে।
এর আগে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ ১২টি আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড ছিল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের। এবার শেষ ৩২ দলের পর্ব শেষ হওয়ার আগেই সেই রেকর্ড ভেঙে গেছে। সামনে এখনো শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল বাকি থাকায় আত্মঘাতী গোলের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফুটবলে রক্ষণাত্মক কৌশলের পরিবর্তনও আত্মঘাতী গোল বাড়ার অন্যতম কারণ। বিশেষ করে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলগুলো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ‘লো ব্লক’ কৌশল ব্যবহার করছে। এতে নিজেদের বক্সের ভেতরে খেলোয়াড়দের ভিড় তৈরি হয়। ফলে প্রতিপক্ষের দ্রুতগতির ক্রস বা কাটব্যাক ঠেকাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বল নিজের জালেই জড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
সোহাইল, চট্টলা২৪

