ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, মুসাল্লার দরজা খোলার কয়েক ঘণ্টা আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হন। মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ফজরের আজানের সময়ই মসজিদ কমপ্লেক্সের মূল প্রাঙ্গণ খুলে দেওয়া হয়।
জানাজার মঞ্চে ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের ওপর রাখা হয় তার পরিচিত কালো পাগড়ি। একই মঞ্চে হামলায় নিহত তার পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিন রাখা হয়েছে। তারা হলেন—মেয়ে সাইয়্যেদা বুশরা হোসেইনি খামেনি, জামাতা মেসবাহ-উল-হুদা বাকেরি, পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ আদেল এবং ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানি।
জানাজায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষের পরনে ছিল কালো পোশাক। তাদের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা, প্রয়াত খামেনি ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ছবি। এ সময় তারা একদিকে খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানান, অন্যদিকে নতুন নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন।
ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, রাজধানী তেহরানে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার বিভিন্ন আয়োজনে এক কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নেবেন। ১৯৮৯ সাল থেকে টানা ৩৭ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
সোহাইল, চট্টলা২৪

