বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চবিতে গুপ্ত হামলার বিচারের দাবিতে মূল ফটক অবরোধ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে গুপ্ত হামলার ঘটনায় বিচারের দাবিতে মূল ফটক আটকে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ক্যাম্পাসের মূল ফটক আটকে তারা অবস্থান নেয়। এসময় আন্দোলনকারীরা মঙ্গলবারের মধ্যে প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে বৃহত্তর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন।

ঘটনাস্থলে এসে প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ শিক্ষার্থীদের সরে দেওয়ার চেষ্টা করলে তোপের মুখে পড়েন।

এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, বর্তমান প্রশাসনের অনেক ভাল কাজের মধ্যে একটি ব্যর্থতা হচ্ছে পুরো ক্যাম্পাসে এখনো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে না পারা। তবে আমরা রাতদিন চেষ্টা করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সিসি ক্যামেরা। কোটি টাকার এই ক্যামেরাগুলো বিগত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের সময় নষ্ট করা হয়েছে। পুরো ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা সচলের কাজ চলছে। গুপ্ত হামলাকারী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করা হবে। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রয়োজনে তদন্ত করা হবে।

অবরোধ তুলে নেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে প্রক্টরের বাকবিতন্ডা হয়। পূর্বের গুপ্ত ঘটনা বিচারের আওতায় আনতে না পারায় প্রক্টরের পদত্যাগেরও দাবি জানানো হয়। পরে প্রক্টর ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে আরও একঘণ্টা মূল ফটক আটকে রাখে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, পরপর দুইটি গুপ্ত হামলার ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি। এর আগের ঘটনায় ভুক্তভোগীর বয়ান অনুযায়ী একজন সহকারী প্রক্টরের কথা বলা হলেও সে ঘটনা নিয়ে সুষ্ঠু কোন ব্যাখ্যা প্রশাসন দিতে পারেনি।

তাদের মতে, শাস্তির আওতায় না আসায় বারবার এসব ঘটনা ঘটেই চলছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ক্যাম্পাসের পরিবহন দপ্তরের কাছে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন দুই শিক্ষার্থী—আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মহিবুল ইসলাম মহিব ও নীরব আহমেদ। তারা বারবিকিউ পার্টি শেষে বন্ধুদের সঙ্গে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। এ সময় ৫-৬ জন মুখোশধারী তাদের পথরোধ করে হামলা চালায়। হামলার পর আহতদের উদ্ধার করে চবি মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে অংশ নিয়ে শাখা ছাত্রদলের সাবেক অর্থ সম্পাদক হাসান আহমেদ বলেন, আমরা ঘটনার বিচারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে অপরাধীদের বিচারের আওতায় না আনা হলে আমরা পুরো বিশ্ববিদ্যালয় অবরোধ করবো।

এ আর ইমন/চট্টলা২৪

সর্বশেষ

আরও পড়ুন
বিষয়

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে দালালির অভিযোগে বৃদ্ধের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম বিআরটিএ কার্যালয়ে দালালির অভিযোগে মনজুর আলম (৬৫) নামে...

সড়ক নিরাপত্তায় হাটহাজারীর স্কুলছাত্রীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

চট্টগ্রামে সড়ক নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা হ্রাসে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে...

শিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন

৩ সেপ্টেম্বর বিকেলের ঘটনা। আমার বাসার সহকারীর আসল নাম...

চট্টগ্রামে বিয়ে শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, নারীসহ নিহত ২

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার...